রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য দূর করতে অভিন্ন শিক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনে বিদ্যাভারতীর অনুষ্ঠানে তিনি (Suvendu Adhikari) গিয়েছিলেন। সরকারি অনুদান পেতে হলে স্কুলের প্রার্থনা সভায় ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে বলে জানান তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘বন্দে মাতরম’ পুরো গাওয়া নিয়ে প্রথমে কিছু আপত্তি উঠেছিল। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বন্দে মাতরম’ পুরো গাওয়া না হলে সরকারি সাহায্য গ্রহণ ও প্রদান—দু’টিই বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, অনেক সময় পড়ুয়ারা দাঁড়িয়ে থাকলেও গান গাওয়ার সময় তাঁদের ঠোঁট নড়তে দেখা যায় না। বিষয়টি নিয়েও তিনি কড়া অবস্থান নেন।
আরও পড়ুন: টুলু মণ্ডলের সিউড়ির আরও একটি বাড়িতে তল্লাশি পুলিশের
অনুষ্ঠানে রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে রাজ্যে আলাদা করে কোনও মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা থাকবে না। সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনের আসবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
রাজ্য সরকারের ভাবধারা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, দীনদয়াল উপাধ্যায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসগর এবং স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকে সামনে রেখেই সরকার এগোবে। এদিন আগামী এক বছরের মধ্যে পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত রাজ্যে বিদ্যাভারতীর বিদ্যামন্দিরের সংখ্যা এক হাজার করার লক্ষ্য ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: মহাকাশে ভারতের নতুন ‘চোখ’, দেশ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে নজরদারি চালাবে ইসরোর ইওএস-০৫ উপগ্রহ
বামফ্রন্ট ও তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষানীতিরও সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী(Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের পাঠ্যক্রমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের অবদান তুলে ধরা হয়নি। পাশাপাশি, কলকাতার একটি স্কুলে এক খুদে পড়ুয়ার কপালের চন্দনের টিপ মুছে দেওয়ার অভিযোগেরও সমালোচনা করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) মতে, টিকা, টিকি বা গলায় তুলসী রাখা প্রত্যেক ব্যক্তিগত ঐতিহ্য ও পছন্দের বিষয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যাভারতীয় যতীন্দ্র কুমার শর্মা, রবীন্দ্র চামারিয়াসহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। শিল্পজগতের বিভিন্ন প্রতিনিধিও এদিন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।
দেখুন:




