• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 9 September, 2026

ওড়িশার জঙ্গলে ওরাংওটাং, ভারতে কীভাবে এল, তা নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য

প্রধানত ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপের রেনফরেস্ট বা গভীর বনের উঁচু গাছে এদের দেখা যায়। জলবায়ু পরিবর্তন ও চোরাশিকারের কারণে ইতিমধ্যেই বিপন্ন এই প্রজাতি। তাই কীভাবে এই প্রাণীগুলি জঙ্গলে এল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

ওড়িশার জঙ্গলে ওরাংওটাং, ভারতে কীভাবে এল, তা নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য

Image: ANI

ওড়িশার জঙ্গলে পাঁচ ওরাংওটাং! বালেশ্বর জেলার ভোগারাই জঙ্গলে তাদের পাওয়া গিয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বড়াপাই গ্রামের কাছে একটি জঙ্গলে স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে পড়ে ওই পাঁচ ওরাংওটাং শাবক। খবর দেওয়া হয় বনকর্মীদের। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে বন দপ্তরের কর্মীরা। ওই পাঁচটি ওরাংওটাংকে (Orangutan in the forests of Odisha) উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পশুচিকিৎসকদের একটি দল তাদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে।

আরও পড়ুন: ভারতরত্নপ্রাপক বিজ্ঞানীকে এসআইআর নোটিস, ভোটার তালিকায় নামে গরমিলে নোটিস

তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, কী ভাবে বোর্নিয়ো ও সুমাত্রার মতো অঞ্চলের বাসিন্দা এই পাঁচ ওরাংওটাং ওড়িশার জঙ্গলে পৌঁছল (Orangutan in the forests of Odisha) ?  ওড়িশা তো বটেই, গোটা ভারতেই এই প্রাণী অত্যন্ত বিরল। কোনও প্রতিবেশী দেশেও এই বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীটির দেখা মেলে না। প্রধানত ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপের রেনফরেস্ট বা গভীর বনের উঁচু গাছে এদের দেখা যায়। জলবায়ু পরিবর্তন ও চোরাশিকারের কারণে ইতিমধ্যেই বিপন্ন এই প্রজাতি। তাই কীভাবে এই প্রাণীগুলি জঙ্গলে এল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

বন দপ্তরের আধিকারিকদের একাংশের অনুমান, পাচারের উদ্দেশেই ওই ওরাংওটাংগুলিকে (Orangutan in the forests of Odisha) নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এর সঙ্গে কোনও আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারচত্র জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে বন দপ্তর।

আরও পড়ুন: কানপুরে রাস্তায় প্রস্রাব করতে বাধা দেওয়ায় মদ্যপদের হাতে খুন এক দোকানদার

বালেশ্বরেরর ডিএফও প্রতীক প্রকাশ ইন্দলকর জানিয়েছেন, প্রাকৃতিকভাবে এই ওয়াংওটাংগুলি বালেশ্বরের (Orangutan in the forests of Odisha) জঙ্গলে পৌঁছনোর কোনও সম্ভাবনা নেই। কারণ ওই এলাকায় তাদের আসার মতো কোনও প্রাকৃতিক করিডর নেই। ফলে এর পিছনে পাচারচক্রের হাত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। কী ভাবে প্রাণীগুলি সেখানে এল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ওড়িশার বনমন্ত্রী গণেশরাম সিং খুন্তিয়া জানিয়েছেন, আপাতত পাঁচটি ওরাংওটাংকে (Orangutan in the forests of Odisha) ভুবনেশ্বরের নন্দনকানন জুলজিক্যাল পার্কে রাখা হবে। তার আগে কয়েক দিন তাদের নিভৃতবাসে রাখা হবে। পাঁচটি শাবকের মধ্যে তিনটি পুরুষ ও দু’টি মাদী। বয়স ৬ মাস থেকে একবছরের মধ্যে।তাদের উচ্চতা প্রায় এক থেকে দেড় ফুট। বন দপ্তর জানিয়েছে, পাঁচটির মধ্যে চারটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। তারা ওআরএসও ও খাবার খাচ্ছে।

দেখুন: কলম্বোয় ভারতীয় সেনার Engineer Task Force-এর সঙ্গে রাজনাথের সাক্ষাৎ