ফুটবল, ক্রিকেট, হকির পর এবার ভলিবলেরও দল গড়ছে মোহনবাগান। স্থানীয় লিগে তারা অংশ নেবে বলে জানিয়ে দিলেন ক্লাব সভাপতি দেবাশিস দত্ত।
রাজ্য ভলিবল সংস্থার মাঠে ভেটারেন্স ভলিবল অ্যাসোসিয়েশনের বিজয়া সম্মিলনীতে এই কথা বলেন মোহনবাগানের সভাপতি। তিনি বলেন, ‘কলকাতায় ফুটবল, ক্রিকেট ও হকির জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ভলিবল সবার নজর কেড়ে নিয়েছে। এমনকী অতীতে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় বাংলার ছেলেমেয়েরা দুরন্ত খেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। কিন্ত অন্যান্য খেলার মতো ভলিবলের জনপ্রিয়তা কমে আসে। সেই সোনালি দিনগুলিকে আবার ফিরিয়ে আনতে হবে’। দেবাশিস আরও বলেন, ‘শুধু মোহনবাগান নয়, যদি ইস্টবেঙ্গলকেও ভলিবল কোর্টে নিয়ে আসা যায়, তাহলে খেলার চেহারাই বদলে যাবে’।
রাজ্য ভলিবল সংস্থার বর্তমান সভাপতি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, ‘দীর্ঘদিন আগের কথা। শ্রদ্ধানন্দ পার্কে অনেক নামি ভলিবলারদের খেলা দেখেছি এবং তাঁদের খেলা দেখে আপ্লুত হয়ে যেতাম। আমার কাছে যখন অনুরোধ এল, সভাপতি হয়ে রাজ্য ভলিবল সংস্থাকে উজ্জীবিত করতে হবে। তখন আর এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করতে পারিনি’।
তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি, সবাই মিলে ভলিবলের সেই অতীতের অধ্যায়কে কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায়, তার জন্য একটা রূপরেখা তৈরি করতে হবে। আমি জানি, সব জায়গাতেই কিছু সমস্যা থাকে। বিরোধী পক্ষও থাকবে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য থাকবে, ভলিবলের উন্নয়ন। তাই সবাই মিলে কাজ করতে হবে। বাংলার ভলিবলের গৌরবকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সেখানে কোনও ভেদাভেদ থাকবে না’।
বিজয়া সম্মিলনীতে একশোরও বেশি প্রাক্তন ভলিবলারদের দেখতে পাওয়া গেল। প্রাক্তন খেলোয়াড় প্রকাশ রায়, গোবিন্দ ভট্টাচার্য, অশোক দত্ত, মহামায়া সমাদ্দার-সহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে খেলোয়াড়দের বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কোচ প্রজেনজিৎ দত্ত। তবে বিজয়া সম্মিলনীতে দেখতে পাওয়া যায়নি বর্তমান সচিব রথীন (পল্টু) রায়চৌধুরীকে। ইতিমধ্যেই জাতীয় ক্রীড়ানীতি চালু করার কথা বলা হয়েছে, তাই আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজ্য সংস্থার নতুন কমিটি গঠন করা হবে।




