• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 28 October, 2026

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পরেও গঙ্গায় বালি চুরি! উত্তরপাড়ায় গ্রেপ্তার ২, বাজেয়াপ্ত নৌকা ও ৪০০০ ঘনফুট বালি

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণার পরেও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ কারবারের অভিযোগ। এ বার উত্তরপাড়ায় গঙ্গা

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পরেও গঙ্গায় বালি চুরি! উত্তরপাড়ায় গ্রেপ্তার ২, বাজেয়াপ্ত নৌকা ও ৪০০০ ঘনফুট বালি

Photo-SNS

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণার পরেও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ কারবারের অভিযোগ। এ বার উত্তরপাড়ায় গঙ্গা থেকে বেআইনি ভাবে বালি তোলার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দু’জন। উত্তরপাড়ার শিবমন্দির সংলগ্ন একটি ঘাটে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে একটি নৌকা এবং প্রায় ৪০০০ ঘনফুট সাদা বালি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী দিনে এ ধরনের কারবারের বিরুদ্ধে আরও অভিযান চালানো হবে বলেও পুলিশ সূত্রে খবর।

অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে ভাটার সময় গঙ্গা থেকে বালি তোলা হচ্ছিল। অথচ গঙ্গা থেকে অবৈধ ভাবে বালি তোলার উপর আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, গঙ্গার পাড়ে নৌকা ভিড়িয়ে বালি তোলা হত। পরে ছোট গাড়িতে সেই বালি অন্যত্র পাচার করা হত।

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের কাছেও এর আগে গঙ্গা থেকে বালি চুরির অভিযোগ জমা পড়েছিল। কিছুদিন এই কারবার বন্ধ থাকলেও ফের নতুন করে বালি তোলার কাজ শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই সংক্রান্ত খবর পাওয়ার পরেই তৎপর হয় পুলিশ। অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় কুন্দন সাহানি ও লক্ষ্মণ সাহানিকে। তাঁদের বিরুদ্ধে গঙ্গা থেকে সাদা বালি চুরির অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতেরা জেরায় জানিয়েছেন, উত্তরপাড়ার বাসিন্দা অর্জুন চৌধুরী তাঁদের বালি তোলার বরাত দিয়েছিলেন। বালি তোলার অনুমতি এবং সরকারি নথিও তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁরা। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। অবৈধ বালি তোলার পিছনে আর কারা রয়েছেন, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ দিকে, উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বালি চুরির বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। তাঁর কথায়, “আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। আগামী পাঁচ বছরে এই ধরনের কাজ আর হতে দেব না।” ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে, কারা এই অবৈধ কারবারে মদত দিচ্ছেন, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলেও জানান বিধায়ক।