• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 1 September, 2026

‘স্বামী রাজনৈতিক নেতা বলে স্ত্রীকে টেনে আনা নয়’, রুজিরার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধে অন্তর্বর্তী নির্দেশ বহাল

স্বামী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শুধু এই পরিচয়ের কারণে স্ত্রীকে বিভিন্ন তদন্ত ও রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে এনে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ করা যায় কি না,

‘স্বামী রাজনৈতিক নেতা বলে স্ত্রীকে টেনে আনা নয়’, রুজিরার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধে অন্তর্বর্তী নির্দেশ বহাল

File photo

স্বামী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শুধু এই পরিচয়ের কারণে স্ত্রীকে বিভিন্ন তদন্ত ও রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে এনে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ করা যায় কি না, সেই প্রশ্নে কলকাতা হাইকোর্টে ফের উঠল রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে আগের অন্তর্বর্তী নির্দেশের মেয়াদ বাড়াল আদালত।

বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে রুজিরার হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কিশোর দত্ত। তাঁর বক্তব্য, রুজিরা কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। কিন্তু তাঁর স্বামী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ায় বিভিন্ন তদন্ত ও বিতর্কের সূত্রে তাঁকেও বারবার সংবাদমাধ্যমে টেনে আনা হচ্ছে। এর ফলে তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদা ও গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে আদালতে দাবি করা হয়।

আইনজীবীর বক্তব্য, ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর আদালত ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ সংক্রান্ত একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ বহাল রাখাই তাঁদের প্রাথমিক আবেদন।

এদিন মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে এবং আগের অন্তর্বর্তী নির্দেশের মেয়াদও বাড়িয়ে দেয়।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের অন্তর্বর্তী নির্দেশ কার্যকর থাকবে। মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য ২৮ নভেম্বর তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর রুজিরার আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলাকালীন সংবাদমাধ্যমে কোনও ব্যক্তিকে এমনভাবে তুলে ধরার বিষয়ে সতর্ক করেছিল আদালত, যাতে বিচার শেষ হওয়ার আগেই জনমানসে তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধীসুলভ ধারণা তৈরি না হয়। একই সঙ্গে তদন্তের গোপনীয়তা, ব্যক্তির মর্যাদা এবং নির্দোষতার অনুমানের প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেওয়া হয়েছিল।

রুজিরার মূল বক্তব্য, তাঁর স্বামী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বিভিন্ন তদন্ত ও রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে থাকার কারণে তাঁকেও বারবার সংবাদমাধ্যমে টেনে আনা হচ্ছে। এর ফলে তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধের আবেদন জানিয়েই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।