• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 14 October, 2026

দুর্গাপুজোয় রোল-চাউমিনের দাম বাড়ার সম্ভাবনা, পকেটে চাপ পড়বে আমজনতার

রাস্তার ধারের ফাস্ট ফুডের দোকানগুলিতে রান্নার জন্য বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার হয়ে থাকে। কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক

দুর্গাপুজোয় রোল-চাউমিনের দাম বাড়ার সম্ভাবনা, পকেটে চাপ পড়বে আমজনতার

Egg Roll-Chowmin Photo-SNS

মাঝে আর একটা দিন। তারপরই দুর্গাপুজোর মহাষষ্ঠী। প্যান্ডেল হপিং করতে বেরিয়ে পড়বেন মানুষজন। কিন্তু তাতে খিদেও পাবে। সেক্ষেত্রে পথ-খাবার খেতে ভিড় জমবে নানা স্টলে। বিশেষ করে চটজলদি খাবার খেতে এবং পেট ভরাতে রোল-চাউমিনের দোকানে ভিড় বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ প্রত্যেক বছর তেমনই ট্রেন্ড দেখা যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। কিন্তু এই রোল-চাউমিন খেতে গেলে পকেটে চাপ পড়তে পারে। কারণ এই রোল-চাউমিনের দাম বাড়তে পারে বলে সূত্রের খবর।  দুর্গাপুজোয় রাতভর প্যান্ডেল হপিংয়ের ফাঁকে এগ রোল, ফিশ ফ্রাই অথবা এক প্লেট চাউমিন পেট ভরিয়ে দেয়।

কিন্তু এবার কলকাতার দুর্গাপুজোর এই পরিচিত আনন্দে বাড়তি খরচের চাপ পড়তে পারে। রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে পিঁয়াজ, ডিম, ময়দা এবং চিনির দাম বেড়ে গিয়েছে। আর তার জেরেই শহরের রাস্তার ধারের খাবারের বিক্রেতারা কম দামে এগুলি দিতে পারবেন না। তাই দুর্গাপুজোর মরশুমে খাবারের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছেন তাঁরা বলে জানা গিয়েছে। রাসবিহারী অ্যাভিনিউ, গড়িয়াহাট, এসপ্ল্যানেড থেকে উত্তর কলকাতার নানা এলাকায় রোল-চাউমিনের দোকানগুলিতে ভিড় জমান দর্শনার্থীরা। এবারও তা দেখা যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু দুর্গাপুজোর ব্যবসা শুরু হওয়ার আগেই রান্নার খরচ বেড়ে যাওয়ায় খাবারের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছেন তাঁরা।

রাস্তার ধারের ফাস্ট ফুডের দোকানগুলিতে রান্নার জন্য বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার হয়ে থাকে। কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ২,৯৫৪ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে এই দাম ছিল ২,৮৮৪ টাকা। অর্থাৎ, সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছে ৭০ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে ১ অক্টোবর থেকে। এই দামবৃদ্ধির জেরে প্রভাব পড়বে খাবারের দামে। দুর্গাপুজোর আগে এই মূল্যবৃদ্ধি ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি খাবার তৈরির নানা প্রয়োজনীয় উপকরণের দামও বেড়েছে। ফলে রোল-চাউমিনের দাম বাড়বে সেটাই দস্তুর।

তাছাড়া পিঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৭০ টাকা ছাড়িয়েছে। একইসঙ্গে ডিম, চিনি এবং ময়দার দামও বেড়েছে। পাইকারি বাজারে গুণমান অনুযায়ী ময়দার দাম কেজি প্রতি ৩৮ থেকে ৫২ টাকার মধ্যে রয়েছে। তার জেরে এগ রোল, পরোটা এবং ডিম টোস্টের মতো খাবার তৈরির খরচ বাড়ছে। ডিমের দামও বেড়ে সাড়ে ৭ টাকা হয়েছে। লেক মার্কেটের এক রোল-চাউমিনের ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে উপকরণের দাম বাড়লেও দুর্গাপুজোর সময় বিক্রি বেশি হওয়ায় সেটা সামাল দেওয়া যেত। কিন্তু এবার রান্নার গ্যাস, পিঁয়াজ, ডিম, ময়দা এবং চিনির মতো একাধিক সামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় পুরনো দামে রোল ও চাউমিন বিক্রি করা সম্ভব নয়। তাই ক্রেতাদের কিছুটা বেশি দাম দিতে হতে পারে।’