• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 16 October, 2026

চলতি মাসের শেষে সংসদে কি বিশেষ অধিবেশন বসবে? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে চর্চা

তাছাড়া চলতি মাসের ২৬ এবং ২৭ অক্টোবর সংবিধান সদনে দ্বাদশ ব্রিকস সংসদীয় ফোরাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ওই কর্মসূচির কথা মাথায়

চলতি মাসের শেষে সংসদে কি বিশেষ অধিবেশন বসবে? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে চর্চা

Parliament Session Photo-SNS

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিরোধীদের আন্দোলনে উত্তাল গোটা দেশ। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো নাজেহাল অবস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের। ১২ বছরের মোদী সরকারকে এর আগে কখনও এমন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়নি বলে মনে করছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে আবার আলোচনায় ডিলিমিটেশন এবং মহিলা সংরক্ষণ প্রসঙ্গ। এই দুই বিল পাশের জন্য চলতি অক্টোবর মাসের শেষ দিকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিল পাশ করাতে নতুন করে উদ্যোগী হল কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদে প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করার বিষয়ে আশাবাদী সরকার। বিশেষ অধিবেশন ডাকার একসপ্তাহ আগে নোটিস দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

এদিকে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করতে চায় মোদী সরকার। সংবিধান সংশোধন ছাড়া যা সম্ভব নয়। আবার সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন ‘স্পেশাল মেজরিটি’। সংসদের গত বাজেট অধিবেশনে ১৩১তম সংবিধান সংশোধন বিল নিয়ে মুখ পুড়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের। তবে এবার বিল পাশের মতো ‘স্পেশাল মেজরিটি’ সরকারের আছে বলে দাবি। গত ১৭ এপ্রিল বাজেট অধিবেশন চলাকালীন লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করতে ব্যর্থ হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভায় মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার সঙ্গে যুক্ত ওই বিলে আসন পুনর্বিন্যাসের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অন্যদিকে সংসদে সমর্থন বাড়াতে তামিলনাড়ুর দল ডিএমকের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভায় ডিএমকের ২২ জন সাংসদ আছেন। আরও কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে মোদী সরকার। আসন পুনর্বিন্যাসের বিরোধিতা করে আসা ডিএমকের অবস্থান এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করতে হলে সংসদের উভয় কক্ষেই বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। সেখানে উপস্থিত থেকে ভোটদানকারী সাংসদদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন পেতে হবে। স্পেশাল মেজরিটি হল, সভার মোট আসন সংখ্যার মধ্যে গরিষ্ঠতা। বিল পাশের সময় সভায় উপস্থিত সদস্য সংখ্যার ভোটদানে কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন লাগবে। যদি সেদিন সভায় সব সাংসদ হাজির থাকেন, তাহলে অঙ্কটি লোকসভার ক্ষেত্রে দাঁড়াবে ৩৬০। আর রাজ্যসভায় ১৬৪। এই সংখ্যাই নেই কেন্দ্রীয় সরকারের।

তাছাড়া চলতি মাসের ২৬ এবং ২৭ অক্টোবর সংবিধান সদনে দ্বাদশ ব্রিকস সংসদীয় ফোরাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ওই কর্মসূচির কথা মাথায় রেখেই বিশেষ অধিবেশনের দিনক্ষণ ঠিক করা হতে পারে। লোকসভায় এনডিএর শক্তি ৩২৪। তার সঙ্গে বিদ্রোহী তৃণমূলের (এনসিপিআই) ২০ জন, উদ্ধবপন্থী শিবসেনার ছ’জন সাংসদ গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। তবুও সংখ্যা কম পড়েছে।