• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 10 October, 2026

দিল্লিতে সিইসি-র বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আগেই আটক পিনারাই বিজয়ন, জন ব্রিটাস, এম এ বেবি-বৃন্দা কারাট-সহ সিপিএম নেতারা

তিনি বলেন,  ‘সরকারের গণতন্ত্রের প্রতি কোনও শ্রদ্ধা নেই বলেই এমনটা ঘটছে‘

দিল্লিতে সিইসি-র বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আগেই আটক পিনারাই বিজয়ন, জন ব্রিটাস, এম এ বেবি-বৃন্দা কারাট-সহ সিপিএম নেতারা

Image: SNS

শনিবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার আগেই ধরপাকড় শুরু করে দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরে পৌঁছনোর আগেই আটক করা হয় কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan)-সহ সিপিএমের (CPIM) একাধিক শীর্ষ নেতাকে। সিজেপি যন্তর মন্তরে এই বিক্ষোভ-মিছিলের ডাক দেয়।

দিল্লি পুলিশ সিপিএমের (CPIM) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি-সহ একাধিক বাম নেতাকে আটক করে। বাম দলগুলির পাশাপাশি আম আদমি পার্টিও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভে  সামিল হয়।তবে বিক্ষোভে অংশ নেয়নি কংগ্রেস। কেরলের বিরোধী দলনেতা পিনারাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) পুলিশের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, শাসক সরকার গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করছে।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিমানবন্দরে আটক সিজেপির অভিজিৎ দীপকে, আটক সৌরভ-আশুতোষও

 বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) বলেন, দেশ এখনও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। তবে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য শাসক সরকারকে দায়ী করে তিনি বলেন,  ‘সরকারের গণতন্ত্রের প্রতি কোনও শ্রদ্ধা নেই বলেই এমনটা ঘটছে।‘ কেরল ভবন থেকে বেরিয়ে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সিপিএম নেতাদের আটক করা শুরু হয়।

আটক নেতাদের মধ্যে ছিলেন এম এ বেবি, এম ভি গোবিন্দন, পি কে শ্রীমতী, বৃন্দা কারাট, কে কে শৈলজা এবং পি রাজীব। প্রথম দফায় তাঁদের আটক করা হয়। সেই সময় পিনারাই বিজয়ন, রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস এবং কেরলের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী কে এন বালগোপালকে আটক করা হয়নি।

আরও পড়ুন: যন্তর মন্তরে যাওয়ার আগেই আটক ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী, সিজেপির প্রতিবাদ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

পরে ওই তিন নেতাও যন্তর মন্তরের দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন। তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। নেতাদের দাবি ছিল, তাঁরা ১৬৩ ধারার নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করছেন না। ওই নির্দেশে চারজনের বেশি মানুষের মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বিজয়ন, ব্রিটাস এবং বালগোপালকে আটক করে পুলিশ।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার প্রশ্নে কোনও চাপের কাছে তাঁরা নতি স্বীকার করবেন না বলে জানান ব্রিটাস। বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) অভিযোগ, ১৩ কোটিরও বেশি ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার সরকারের স্বার্থে কাজ করছেন।  আন্দোলন বন্ধ হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন বিজয়ন।

দেখুন: