• facebook
  • twitter
Wednesday, 18 February, 2026

আধার কার্ডে বড় পরিবর্তনের ভাবনা, নতুন ডিজাইনে থাকবে না ব্যক্তিগত তথ্য

দেশে পরিচয়পত্র ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। আধার কার্ডের নকশা আমূল বদলে ফেলার পরিকল্পনা করছে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। নতুন ব্যবস্থায় কার্ডে আর নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ বা ১২ সংখ্যার আধার নম্বরের মতো ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে না বলেই জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত নতুন আধার কার্ডে থাকবে শুধু নাগরিকের ছবি এবং একটি কিউআর কোড। ওই কোড

প্রতীকী চিত্র

দেশে পরিচয়পত্র ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। আধার কার্ডের নকশা আমূল বদলে ফেলার পরিকল্পনা করছে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। নতুন ব্যবস্থায় কার্ডে আর নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ বা ১২ সংখ্যার আধার নম্বরের মতো ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে না বলেই জানা যাচ্ছে।

সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত নতুন আধার কার্ডে থাকবে শুধু নাগরিকের ছবি এবং একটি কিউআর কোড। ওই কোড স্ক্যান করলেই নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সমস্ত তথ্য দেখা যাবে। অর্থাৎ, তথ্য আর সরাসরি কার্ডে দৃশ্যমান থাকবে না—ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমেই তা দেখা যাবে।

Advertisement

এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য তথ্যের নিরাপত্তা বাড়ানো। বিভিন্ন ক্ষেত্রে হোটেল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আধারের ফটোকপি জমা নেওয়া হয়, যা তথ্য অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ায়। আধার আইনে এ ধরনের অফলাইন তথ্য সংগ্রহের স্পষ্ট অনুমতি নেই বলেই দাবি কর্তৃপক্ষের। নতুন পদ্ধতিতে তথ্য শুধুমাত্র অনুমোদিত ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমেই দেখা যাবে, ফলে অননুমোদিত সংরক্ষণ বা চুরি রোধ করা সম্ভব হবে।

Advertisement

বর্তমান ব্যবস্থায় আধারের তথ্য সহজেই দৃশ্যমান হওয়ায় আর্থিক প্রতারণা, ভুয়ো নথি তৈরি, সিম কার্ড জালিয়াতি বা অনুমতি ছাড়া ঋণ নেওয়ার মতো অপরাধের ঝুঁকি বাড়ছে—এই যুক্তিই সামনে আনছে কর্তৃপক্ষ। কিউআর-ভিত্তিক যাচাই চালু হলে কে কখন তথ্য জানার চেষ্টা  করছে, তারও ডিজিটাল ট্র্যাক রাখা যাবে।

এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য তথ্যের নিরাপত্তা বাড়ানো। বিভিন্ন ক্ষেত্রে হোটেল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আধারের ফটোকপি জমা নেওয়া হয়, যা তথ্য অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ায়। আধার আইনে এ ধরনের অফলাইন তথ্য সংগ্রহের স্পষ্ট অনুমতি নেই বলেই দাবি কর্তৃপক্ষের। নতুন পদ্ধতিতে তথ্য শুধুমাত্র অনুমোদিত ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমেই দেখা যাবে, ফলে অননুমোদিত সংরক্ষণ বা চুরি রোধ করা সম্ভব হবে।

বর্তমান ব্যবস্থায় আধারের তথ্য সহজেই দৃশ্যমান হওয়ায় আর্থিক প্রতারণা, ভুয়ো নথি তৈরি, সিম কার্ড জালিয়াতি বা অনুমতি ছাড়া ঋণ নেওয়ার মতো অপরাধের ঝুঁকি বাড়ছে—এই যুক্তিই সামনে আনছে কর্তৃপক্ষ। কিউআর-ভিত্তিক যাচাই চালু হলে কে কখন তথ্য অ্যাক্সেস করছে, তারও ডিজিটাল ট্র্যাক রাখা যাবে।

তবে নতুন ডিজাইনের আধার চালু হলে নাগরিকদের আবার নতুন করে আবেদন বা আপডেট করতে হবে কি না, নাকি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য আপডেট করা হবে—সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। তবে নতুন আধার অ্যাপ-এ অনেক বেশি আজুনিকতার ছোঁয়া থাকবে তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement