অ্যাকসেঞ্চারের এক সতর্কবার্তাতে দালাল স্ট্রিট থেকে উড়ে গেল কয়েক লক্ষ কোটি টাকা। আজ শুক্রবার সকালে শেয়ার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছিল রক্তস্নান। অ্যাকসেঞ্চারের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাসের কারণে প্রযুক্তি খাতের সমস্ত শেয়ারগুলিতে ধস নেমেছে। আইটি সেক্টরের এই ধাক্কায় পতন হয়েছে ইনফোসিস- টিসিএসের মত শেয়ারেও।
যার জেরে অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও আজ সকাল থেকেই নামতে শুরু করেছিল সেনসেক্স-নিফটির কাঁটা। আইটি খাতের শেয়ার বিক্রির লাইন পড়ে যায়। আর তার ফলে আরও অনেকটা নেমে যায় সেনসেক্স। এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে ২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি সম্পদ মাত্র কয়েক মিনিটেই উড়ে যায়। বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ ৭৫০ পয়েন্ট নিচে ছিল সেনসেক্স। টিসিএস, ইনফোসিস, এইচসিএলটেক, টেক মাহিন্দ্রা এবং উইপ্রোর শেয়ারের দাম ৬ শতাংশ পর্যন্ত নেমেছে।
আসলে অ্যাকসেঞ্চার তার্দের বার্ষিক রাজস্ত বৃদ্ধির পূর্বাভাসের সর্বোচ্চ সীমা কমিয়ে দিয়েছে। সেই সঙ্গে প্রযুক্তি খাতে ব্যায়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন উদ্বেগের কথা প্রকাশ করতেই আজ সকাল থেকে আইটি স্টক বিক্রির রীতিমত হিড়িক পড়ে গিয়েছে। এআই নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা চললেও প্রযুক্তি খাতে গ্রাহকদের ব্যয় বাড়ানোর অনীহা নিয়ে সতর্কবার্তার পরে কিছু মাঝারি আইটি শেয়ারও আজ ধাক্কা খেয়েছে। যদিও আমেরিকা-ইরান শান্তিচুক্তির পরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে। ফলে বিগত কয়েকদিন ধরে রীতিমত চাঙ্গা ছিল সেনসেক্স ও নিফটি। সেই সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কমেছে অনেকটাই। তবে আইটি স্টকের এই ধসের ফলেও আপাত ভাবে স্থিতিশীল রয়েছে বাজার। তা অনেকটা স্বস্তির। কারণ এই মুহূর্তে অনেকেই ইথানল স্টকের দিকে ব্যাপক পরিমাণে নজর দিচ্ছে। আর সেই কারণে এই স্টক ধীরে ধীরে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন অনেকে।




