আজও স্বস্তিতে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীরা। আজ বাজার বন্ধের সময়ে সেনসেক্স ছিল ৭৬,৮২৬.৭৮ পয়েন্টে। যা গতকালের তুলনায় ৫৬২.৪৫ পয়েন্ট বেশি। অন্যদিকে নিফটি রয়েছে ২৩,৯৮৪.১৫ পয়েন্টে। যা গতকালের তুলনায় ১৩৫.২৫ পয়েন্ট বেশি। আর গতকালের পরে আজও বাজারের এই পরিস্থিতি দেখে রীতিমত খুশি হয়েছেন সকলে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমা বাজারে একটি বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
তাছাড়া এশিয়ান মার্কেটের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি, জাপানের নিক্কেই, সাংহাইয়ের এসএসইও রীতিমত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আর সামগ্রিকভাবে সেই কারণে এই জোয়ার এসে পড়েছে ভারতের দালাল স্ট্রিটেও। এছাড়াও আমেরিকার বাজারও দীর্ঘদিন বাদে চাঙ্গা হয়েছে। বিশেষ করে ডাউ জোন্স এবং ন্যাসডাক অনেকটা চাঙ্গা হয়েছে। তার জেরে আরও সতেজ হয়েছে ভারতের বাজার।
এছাড়াও বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও আগ্রহ দেখিয়েছে ভারতের বাজার নিয়ে। আর তা সসব থেকে বড় আশার কথা। ইতিমধ্যেই প্রায় ২০০.০৫ কোটি্ টাকার বিনিয়োগ করেছে। সেইি সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান ও আমেরিকার শান্তিচুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। মূলত সেই কারণের জন্যই ফের চাঙ্গা হচ্ছে বাজার। যদিও এই চুক্তির বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। তবে আশা করা হচ্ছে এই চুক্তি বিশ্ববাজারেও অনেকটা আশানুরূপ প্রভাব ফেলবে। সেই কারণেই আরও সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে ভারতের বাজারে।
সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে টাকার দাম। আর ডলারের সাপেক্ষে টাকার দাম বাড়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী হচ্ছে টাকা। আর সেই প্রভাব এসে পড়েছে শেয়ার বাজারেও। আর সেই কারণেই ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দালাল স্ট্রিট। সব থেকে আশার কথা ধীরে ধীরে কমছে ইন্ডিয়া ভিআইএক্স গ্রাফ। যা ইঙ্গিত করছে ভারতের শেয়ার বাজার অস্থিতিশীল থেকে ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হচ্ছে। আর সেইি কারণে আবারও সাহস করে বাজারে প্রবেশ করছেন বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগকারীরা। আর তাই ধীরে ধীরে চাঙ্গা হচ্ছে সেনসেক্স ও নিফটি। আশা করা হচ্ছে আগামী কয়েকদিনে আরও চাঙ্গা হবে বাজার। সেক্ষেত্রে ভারতে বাড়তে পারে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ।




