উত্তরাখণ্ডের কেদারতাল ট্রেকিং রুট থেকে উদ্ধার করা হল বাঁকুড়ার দুই যুবকের দেহ। ছ’দিন আগে নিখোঁজ হয়েছিলেন আট সদস্যের একটি ট্রেকিং দল। সেই দলে পাঁচ জনই ছিলেন বাঙালি। তার মধ্যে দু’জন বাঙালি ট্রেকারে দেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় উত্তরকাশী জেলা পুলিশ এই খবর জানিয়েছে।
কেদারতাল ট্রেক উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী জেলার একটি অত্যন্ত দুর্গম ও বিপজ্জনক উচ্চ পার্বত্য অভিযান। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার পিভিজি সতীশ ‘দ্য স্টেটসম্যান’-কে জানিয়েছেন, মৃত দুই যুবকের নাম রিন্টু মণ্ডল এবং উদয় ঘোষ। বুধবার তাঁদের দেহ সমতলে নামিয়ে আনা হয়। বাঁকুড়া থেকে উত্তরকাশীতে পৌঁছনো পরিবারের সদস্যরা দেহ শনাক্ত করেন।
ওই আট সদস্যের দলে বাঁকুড়ার পাঁচ যুবক ছাড়াও লখনউয়ের দুই বোন এবং উত্তরকাশীর এক শেরপা ছিলেন। বুধবারের উদ্ধারকাজের পর কেদারতাল ট্রেকিং রুট থেকে এখনও পর্যন্ত মোট চারটি দেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার কেদার খারাক এলাকায় তুষারধসের নীচে চাপা পড়া অবস্থায় লখনউয়ের দুই বোনের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ওই এলাকাতেই তাঁরা শিবির করেছিলেন।
আরও পড়ুন: ইরানকে গোপনে সাহায্যের অভিযোগ, ভারতীয় চার নাগরিকের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
বুধবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ হেলিকপ্টারে কেদারতাল থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে মাতলিতে নিয়ে আসা হয় রিন্টু ও উদয়ের দেহ। সেখান থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে উত্তরকাশী জেলা হাসপাতালে অ্যাম্বুল্যান্সে করে দেহ দু’টি নিয়ে যাওয়া হয়।
এ দিকে, নিখোঁজ ট্রেকারদের পরিবারের সদস্যদের একটি দল বুধবার দুপুরে বাঁকুড়া থেকে উত্তরকাশীতে পৌঁছয়। সিন্টু নামে এক ব্যক্তি ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন। তিনিই প্রথমে নিজের ভাইয়ের দেহ শনাক্ত করেন।
উদয়ের দেহও শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিন্টু। তবে এই খবর কী ভাবে পরিবারের অন্য সদস্যদের জানাবেন, তা বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা। নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সকলেই উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় রিন্টু ও উদয়ের দেহ উদ্ধারের বিষয়ে বাঁকুড়া জেলা পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে উত্তরকাশী জেলা প্রশাসন। এই কথা জানিয়েছেন বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার পিভিজি সতীশ।
দেখুন:




