রবিবার রাতে হাড়োয়ায় অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক (Haroa Gas Leak) করায় আতঙ্ক ছড়াল গোটা এলাকায়। বরফ কারখানা থেকে ঝাঁঝালো অ্যামোনিয়া গ্যাস (Haroa Gas Leak)ছড়িয়ে পরে গোটা এলাকায়। বিষাক্ত গ্যাসের (Haroa Gas Leak) প্রভাবে মহিলা ও শিশু-সহ কমপক্ষে ২৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের তীব্র শ্বাসকষ্ট ও চোখ জ্বালার সমস্যা দেখা দেয়। অসুস্থদের দ্রুত হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে (Haroa Gas Leak)ভর্তি করা হয়। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় বসিরহাটের হাড়োয়া এলাকায়।
আরও পড়ুন: ভোররাতে ফের আগুনের গ্রাসে কলকাতা, যশোর রোড়ে পুড়ে ছাই ২২ গাড়ি
স্থানীয় সূত্রে খবর, রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ওই বরফ কারখানা থেকে আচমকা অ্যামোনিয়া গ্যাস(Haroa Gas Leak) বের হতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আশপাশের এলাকায় গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে যায়। পরিস্থিতি বুঝে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাড়োয়া থানার পুলিশ (Haroa Gas Leak) এবং দমকলের একটি ইঞ্জিন (Haroa Gas Leak)। দমকলকর্মীরা গ্যাস লিকের (Haroa Gas Leak) উৎস খুঁজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি অসুস্থ বাসিন্দাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে (Haroa Gas Leak) পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
আরও পড়ুন: অমরাবতী হাসপাতালের NICU-তে ভোররাতে আগুন, মৃত্যু তিন সদ্যোজাতের, আশঙ্কাজনক ৩৯ জন
ঘটনাকে ঘিরে রাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ওই বরফ কারখানা বন্ধ (Haroa Gas Leak)করার দাবিতে বেড়াচাঁপা-হাড়োয়া রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন তাঁরা। বাসিন্দাদের অভিযোগ, কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কারখানাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবিতে দীর্ঘক্ষণ চলে বিক্ষোভ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের পাশাপাশি কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
দেখুন: পশ্চিমবঙ্গে শিল্প ও প্রতিরক্ষায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা




