• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 11 October, 2026

জলজীবন মিশনের অধীনে দু’হাজার কোটি টাকা পেল রাজ্য, দুর্গাপুজোর মুখে বড় প্রাপ্তি

তাছাড়া কিছু জেলায় সামান্য কিছু বকেয়া আছে। দ্রুত আরও ১৫০০ থেকে ১৬০০ কোটি টাকা আসার কথা রয়েছে। তার ফলে বাকি টাকাও

জলজীবন মিশনের অধীনে দু’হাজার কোটি টাকা পেল রাজ্য, দুর্গাপুজোর মুখে বড় প্রাপ্তি

Jal Jeevan Mission Rupees Photo-SNS

দীর্ঘদিন ধরে জলজীবন মিশনের টাকা আটকে ছিল। তার জেরে মানুষের দুয়ারে পানীয় জলের পরিষেবা সেভাবে দেওয়া যাচ্ছিল না। আগের সরকারের আমলে নানা জট ছিল। সেই জটিলতা ডবল ইঞ্জিন রাজ্য গড়ে উঠতেই কেটে গেল। এবার আর পরিশুদ্ধ পানীয় জল পেতে অসুবিধা হবে না। দ্রুত কাজও শেষ হবে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার সেই বকেয়া টাকা ছেড়ে দিয়েছে। এই টাকা দিয়েই গ্রামবাংলায় গড়ে উঠবে পানীয় জল সরবরাহ করার পরিষেবা। তাতে বিপুল মানুষ উপকৃত হবে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে এমনই সুখবর পৌঁছে গেল পশ্চিমবঙ্গে। ফলে যেখানে যা কাজ বাকি আছে তা শেষ হবে।

এদিকে হাতে আর পাঁচদিন। তারপরই দুর্গাপুজোর উৎসবে মেতে উঠবে গোটা রাজ্য। সেখানে জলজীবন মিশনের অধীনে দু’হাজার কোটি টাকার কেন্দ্রীয় অনুদান এল পশ্চিমবঙ্গে। এবার যে রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার বইবে সেটা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেটা ঘটতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহে এই বিপুল অর্থ এসেছে বলে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর সূত্রে খবর। গ্রামীণ এলাকায় পানীয় জল সরবরাহের এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে নীতিগত বিরোধ ছিল তৃণমূলশাসিত রাজ্য সরকারের। সেই বিরোধ এখন অতীত। কারণ পশ্চিমবঙ্গে এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রকল্পের অন্যতম শর্ত ছিল, জলকর নিতে হবে। আর তাতে রাজি ছিলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে এখন শোনা যাচ্ছে, জলকর দিতে হবে না। বরং গ্রামবাংলা থেকে শহর সকল বাসিন্দাই পরিশুদ্ধ পানীয় জল পাবেন। এই কর নিয়ে অবশ্য সরকারিভাবে কিছু এখনও বলা হয়নি। নবান্ন সূত্রে খবর, বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই সেই শর্ত মেনে চুক্তিতে সই করেছে। তার ফলেই দীর্ঘ কয়েক বছর আটকে থাকা অর্থ আসতে শুরু করেছে। তার জেরে ২০২৩-২৪ সাল থেকে বকেয়া টাকা দুর্গাপুজোর মুখে পেতে চলেছেন ঠিকাদাররা। আর কাজ শেষ হয়ে যাওয়া যাবতীয় প্রকল্পের অংশবিশেষ হিসাবেই এই টাকা আপাতত এসেছে। আপাতত প্রায় ১৩৬৭ কোটি টাকা বকেয়া আছে। জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের অধীন জেলার ডিভিশনগুলি বকেয়া অর্থের ৬০ শতাংশ করে পাবে। ইতিমধ্যেই সেই বাবদ প্রায় ১০০০ কোটি টাকা ছাড়া হয়ে গিয়েছে।

তাছাড়া কিছু জেলায় সামান্য কিছু বকেয়া আছে। দ্রুত আরও ১৫০০ থেকে ১৬০০ কোটি টাকা আসার কথা রয়েছে। তার ফলে বাকি টাকাও ছেড়ে দেওয়া সম্ভব হবে। বকেয়া মিটে গেলে নতুন কাজেও গতি আসবে। তবে পুরনো কাজে কিছু ভুলভ্রান্তি হওয়ায় সেগুলির টাকা মেটানো হয়নি ঠিকাদারদের। নতুন করে কাজ করার জেরে ব্যয়ও বেড়েছে।