• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 19 September, 2026

নৌসেনা অ্যাকাডেমিতে ভুয়ো পরিচয়ে কাজ, ধৃত বাংলাদেশি

ওই নথি কোথা থেকে পাওয়া গিয়েছিল, চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কেউ সাহায্য করেছিল কি না এবং অ্যাকাডেমিতে তাঁর কাজের সূত্রে কোনও নিরাপত্তাজনিত সমস্যা তৈরি হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

নৌসেনা অ্যাকাডেমিতে ভুয়ো পরিচয়ে কাজ, ধৃত বাংলাদেশি

Photo-SNS

কেরলের এঝিমালা নৌসেনা অ্যাকাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়ে প্রায় এক বছর ধরে কাজ করার অভিযোগে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম বিপ্লব সোরেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও সেটিই তাঁর আসল নাম কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়। ৩২ বছরের ওই যুবক অ্যাকাডেমির লন্ড্রি বিভাগে চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি বিপ্লবের আচরণ নিয়ে সন্দেহ হয় নৌসেনা অ্যাকাডেমি কর্তৃপক্ষের। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেই সময় তাঁর মোবাইল ফোন থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য পাওয়া যায় যা থেকে তাঁর বাংলাদেশি নাগরিকত্বের ইঙ্গিত মেলে। অভিযোগ, ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করেই তিনি ভারতে ছিলেন এবং অ্যাকাডেমিতে কাজ করছিলেন।

শুক্রবার রাত ৮টা ১৫ মিনিট নাগাদ নৌসেনা অ্যাকাডেমি কর্তৃপক্ষ তাঁকে পায়ান্নুর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কন্নুরের এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর ধরে ওই যুবক অ্যাকাডেমিতে কাজ করছিলেন। তাঁর কথায়, ‘বিপ্লব সোরেনই তাঁর আসল নাম কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

কীভাবে একজন বিদেশি নাগরিক ভুয়ো নথি ব্যবহার করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী কর্মীর চাকরি পেলেন তা নিয়েই এখন তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই নথি কোথা থেকে পাওয়া গিয়েছিল, চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কেউ সাহায্য করেছিল কি না এবং অ্যাকাডেমিতে তাঁর কাজের সূত্রে কোনও নিরাপত্তাজনিত সমস্যা তৈরি হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুন: খরস্রোতা নালায় পড়ল পুণ্যার্থীদের গাড়ি, ৩ শিশু-সহ মৃত ৮

এই গ্রেপ্তারের আগে গত চার দিনে কন্নুরে নথিপত্র নেই এমন ৫ জন বাংলাদেশি মহিলাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৪ জন শহরের একটি স্পা-তে কাজ করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে বাংলাদেশি পরিচয়পত্রের পাশাপাশি ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্রও উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ। ফলে পরপর এই গ্রেপ্তারকে ঘিরে কন্নুরে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে বসবাস এবং ভুয়ো নথি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।