• facebook
  • twitter
Monday, 16 February, 2026

বাংলাদেশি বন্দির মৃত্যু

মৃতের নাম মহম্মদ খায়রুল ইসলাম

প্রতীকী চিত্র

জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে সাজাপ্রাপ্ত এক বাংলাদেশি বন্দির। মৃতের নাম মহম্মদ খায়রুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার জুম্মাহাট এলাকার বাসিন্দা। প্রায় পাঁচ বছর আগে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। প্রায় আড়াই বছর বিচার চলার পর আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ছ’বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি ছিলেন।

সংশোধনাগার সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ৩ তারিখ মুখে গুরুতর ঘা হওয়ায় তাঁকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাত দিন চিকিৎসার পর ১০ তারিখ হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানিয়েছেন, ১১ তারিখ ময়নাতদন্তের পর থেকে মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে।

Advertisement

শনিবার বিকেলে খায়রুলের মৃত্যুসংবাদ তাঁর পরিবারের কাছে পৌঁছায়। এরপরই তাঁরা দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেন। সূত্রের খবর, রবিবার ঢাকায় ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে দেহ প্রত্যর্পণের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শুরু করেছে।

Advertisement

পরিবারের দাবি, ভারতে তাঁদের কোনও আত্মীয় বা পরিচিত নেই। খায়রুল কেন ভারতে গিয়েছিলেন, সে বিষয়েও তাঁরা স্পষ্ট জানেন না। খায়রুলের মা খালেদা বেগম জানিয়েছেন, ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি দুই দেশের সরকারের কাছেই আবেদন জানাবেন। এখন দুই দেশের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেই দেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

Advertisement