• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 7 November, 2026

প্রতীক-নাম হাতছাড়া, এ বার সুপ্রিম কোর্টে মমতা! মামলায় ঋতব্রতও, শুনানি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংশ্লিষ্ট

প্রতীক-নাম হাতছাড়া, এ বার সুপ্রিম কোর্টে মমতা! মামলায় ঋতব্রতও, শুনানি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

Mamata Banerjee Photo-ANI

তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংশ্লিষ্ট মামলায় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও পক্ষ করা হয়েছে। শীর্ষ আদালত সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হতে পারে।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই শিবিরের বিবাদে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই।

শুক্রবার দুই শিবিরের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীকও চূড়ান্ত করে কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’। ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে তারা লড়বে ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীকে। অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং তাদের প্রতীক খাম।

কমিশনের এই সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়। নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। পরে সাংবাদিক বৈঠকে কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন মমতা। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথাও জানান তিনি।

প্রতীক ও দলের নাম হারানোর ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের ইতিহাসে কালো দিবস’ বলে আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, গোটা প্রক্রিয়ায় সাংবিধানিক রীতিনীতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে উপেক্ষা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। শিবসেনা ও এনসিপির দলীয় প্রতীক সংক্রান্ত পূর্ববর্তী বিতর্কের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তৃণমূল নেত্রী।

এর পরেই কমিশনের সিদ্ধান্তকে আইনি পথে চ্যালেঞ্জ করার সিদ্ধান্ত নেয় মমতা শিবির। সেই মামলায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুক্ত করার ফলে সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে দুই শিবিরের বক্তব্যই সামনে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এখন নজর আগামী সপ্তাহের শুনানির দিকে।