• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 9 September, 2026

শহরের একাধিক শপিং মল পরিদর্শনে দমকল, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে চলল অভিযান

শহরের ২৯টি শপিং মলে দমকল ও পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এদিকে পার্ক স্ট্রিটের একটি শপিং মলের ম্যানেজার জানিয়েছেন, তাঁরা সমস্ত রকমের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

শহরের একাধিক শপিং মল পরিদর্শনে দমকল, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে চলল অভিযান

Photo: Statesman

গত কয়েকদিন ধরে শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও দোকানে অভিযান চালিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর ও পুর প্রশাসন। সেই অভিযানে প্রচুর পচা খাবারের পাশাপাশি ছত্রাক ধরা মাছ-মাংসের হদিশ মিলেছে। এবার প্রশাসনের নজরে কলকাতার একাধিক অভিজাত শপিং মল। বুধবার সাউথ সিটি মল, পার্ক স্ট্রিটের পতাকা হাউস, অ্যাক্রোপলিস মলের মতো শপিং মলগুলিতে অভিযান চালালেন দমকল ও পুলিশের আধিকারিকেরা। সেই সব জায়গায় গিয়ে অগ্নি-সুরক্ষা বিধি ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন দমকলের আধিকারিকেরা। কাগজপত্র ঠিক রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হয়।

সামনেই পুজো। হাতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এই সময় শহরের বিভিন্ন শপিং মলে ভিড় বাড়বে। পুজোর কেনাকাটা-খাওয়া দাওয়ার জন্য মলগুলিতে ভিড় বাড়বে। তাই তার আগে শপিং মলগুলিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে অভিযান চালাল দমকল আধিকারিকেরা। দমকলের দাবি, অগ্নিকাণ্ড রোধে সুরক্ষা বিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, নিয়মমাফিক ভিতরে ও বাইরে বেরোনোর রাস্তা রয়েছে কি না, ফায়ার অ্যালার্ম কাজ করছে কি না সেই সব কিছু খতিয়ে দেখা হয়।

সেই সবের পাশাপাশি মলগুলিতে যে রেস্তোরাঁ ও ফুড কোর্ট রয়েছ, সেগুলিতে সুরক্ষা বিধি মেনে কাজ হচ্ছে কি না, সেই সবটাই খতিয়ে দেখেন পুলিশ ও দমকল আধিকারিকেরা। শহরের ২৯টি শপিং মলে দমকল ও পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এদিকে পার্ক স্ট্রিটের একটি শপিং মলের ম্যানেজার জানিয়েছেন, তাঁরা সমস্ত রকমের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন: ‘সব শর্ত মেনেছেন’, বারুইপুর-কাণ্ডে লায়েকের অন্তর্বর্তী জামিন বাড়াল হাইকোর্ট

তিনি আরও জানিয়েছেন, মাসে একবার করে মক ড্রিলের মাধ্যমে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়মিত খতিয়ে দেখা হয়। সেই সঙ্গে তাঁদের ম্যাল কর্মীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তার আগে তারাপীঠেও একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। একের পর এক ঘটনার পর দমকল বিভাগ, কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ যৌথভাবে শহরের বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলিতে অভিযান শুরু করে। শহরের ৯১৯ হোটেল ও গেস্ট হাউস বন্ধের নির্দেশ দেয় নবান্ন।