• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 30 October, 2026

ইশানের ঝকঝকে ডাবল সেঞ্চুরি, কুশাগ্রর শতরান, দলীপ ফাইনালে পূর্বাঞ্চলের ‘মস্তানি’

ত্রিপুরানা বিজয়ও দু’টি উইকেট পেয়েছেন, কিন্তু ৩৮ ওভারে দিয়েছেন ১৭৩ রান। ফলে পূর্বাঞ্চলের রান থামানোর মতো চাপ তৈরি করতে পারেনি দক্ষিণের বোলিং আক্রমণ।

ইশানের ঝকঝকে ডাবল সেঞ্চুরি, কুশাগ্রর শতরান, দলীপ ফাইনালে পূর্বাঞ্চলের ‘মস্তানি’

Photo: X

প্রথম দিনেই ম্যাচের রাশ হাতে নিয়েছিল তারা। দ্বিতীয় দিন সেই দাপট আরও বাড়ল। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ইশান কিশনের ব্যাটে এল এক ঝকঝকে ডাবল সেঞ্চুরি। সঙ্গে কুমার কুশাগ্রর দুরন্ত শতরান। দিনের শেষে ১৬৩ ওভারে ৭০৮-এ অলআউট পূর্বাঞ্চল। দলীপ ট্রফির ফাইনালে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে সাতশো রানের পাহাড় গড়লেন ইশানরা।

প্রথম দিন ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন ইশান। দ্বিতীয় দিনও থামানো গেল না তাঁকে। ২৭০ বলে দলীপের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অধিনায়ক। পাডিক্কলের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দুশো পূর্ণ করেন ইশান। এক দিকে আগ্রাসন, অন্য দিকে উইকেটে থাকার জেদ—দুইয়ের মিশেলে ক্রমেই বড় হয়ে ওঠে ইশানের ইনিংস। দুশো রানে পৌঁছানোর পর গিয়ার তুলে দেন এবং পরের তিরিশ বলে আরো পঞ্চাশ রান তুলে ফেলেন পূর্বাঞ্চল অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত আউট হন ২৭০-এ। ৩০টি চার ও সাতটি ছয়-সহ।

ইশানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যাট করেছেন কুমার কুশাগ্র। দলীপ ট্রফিতে নিজের প্রথম শতরান করেন তিনি। ১৩২ বলে ১০১ রানের ঝকঝকে ইনিংসে ছিল আটটি চার এবং পাঁচটি ছক্কা। শতরান পূর্ণ করার পর বেশিক্ষণ অবশ্য টিকতে পারেননি। স্পিনার ত্রিপুরানা বিজয়ের বলে চামা মিলিন্দকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান কুশাগ্র।

ইশান-কুশাগ্র জুটিই ম্যাচটাকে দক্ষিণাঞ্চলের নাগালের বাইরে নিয়ে গেল। পঞ্চম উইকেটে দু’জনে মিলে ২৮৭ বলে ২৩০ রান যোগ করেন।

দক্ষিণাঞ্চলের বোলিংয়ের ছবি অবশ্য একেবারেই উল্টো। ভারতের তারকা পেসার মহম্মদ সিরাজও কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। ২৫ ওভারে ১৪০ রান দিয়েও উইকেটশূন্য থেকেছেন তিনি।

দক্ষিণের সফল বোলার চামা মিলিন্দ ২১ ওভারে ৮৮ রান দিয়ে নিয়েছেন দু’টি উইকেট। ত্রিপুরানা বিজয় চারটি উইকেট পেয়েছেন, কিন্তু ৪২ ওভারে দিয়েছেন ১৮০ রান। শ্রেয়স গোপাল নেন দুটি উইকেট। পূর্বাঞ্চলের রান থামানোর মতো চাপ তৈরি করতে পারেনি দক্ষিণের বোলিং আক্রমণ।

প্রথম দিনও ইস্ট জ়োনের হয়ে রান পেয়েছিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৭২), শিখর মোহন (৮৫) এবং ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী (৪৪)। প্রথম দিনের শেষে ৩৮৫/৪ থেকে দ্বিতীয় দিনে সেই রান পেরিয়ে ৭০০-র গণ্ডি টপকে গেল তারা।

এখন দেখার, এই বিশাল রানের পাহাড় কিভাবে টাকায় দক্ষিণাঞ্চল, বা আদৌ তারা তা পারে কি না। চেন্নাইয়ের চিপকে তাই তৃতীয় দিনের শুরুতেই বড় প্রশ্ন—পূর্বাঞ্চল খেতাব থেকে আর কত দূরে।