• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 5 August, 2026

পশ্চিম মেদিনীপুর সফরে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, হাসপাতালগুলিতে তৎপরতা শুরু

ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে এবং পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে

পশ্চিম মেদিনীপুর সফরে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, হাসপাতালগুলিতে তৎপরতা শুরু

State Health Minister Sharadwat Mukherjee Photo-SNS

পূর্ব মেদিনীপুর সফরে কদিন আগেই গিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে একাধিক অনিয়ম ধরেছেন তিনি। তারপর নানা নির্দেশ দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে সমস্যার সমাধান করার কথা বলে আসেন তিনি। সেই অনুযায়ী কাজও হয়। আসলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে জোর দিয়েছেন তিনি। তাই এবার পশ্চিম মেদিনীপুর সফরে যেতে চলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলে জানা গিয়েছে। ডেবরা, সবং, খড়্গপুর-সহ নানা জায়গায় যেতে পারেন তিনি। আর তাই পশ্চিম মেদিনীপুরের সমস্ত হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কদিন ধরে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। সেখানের হাসপাতালগুলির নানা ওয়ার্ড, শৌচালয় এবং পরিষ্কার করা হচ্ছে। কুকুর, বিড়াল ঢুকলে তৎক্ষণাৎ তাড়িয়ে দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সেখানের হাসপাতালগুলিতে সিনিয়র চিকিৎসকদের আনাগোনাও বেড়েছে। তবে পশ্চিম মেদিনীপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কবে আসবেন তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও খবর নেই জেলা প্রশাসনের কাছে।

এই আবহে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতাল, ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, সবং গ্রামীণ হাসপাতাল-সহ জেলার একাধিক হাসপাতালের পরিষেবা ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অভিযোগ আছে রোগীর পরিজনদের। এবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের খবর পেয়ে সব হাসপাতালেরই ভোল বদল শুরু হয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হচ্ছে সব কিছুই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আসার আগেই সিএমওএইচ, ডেপুটি সিএমওএইচদের নেতৃত্বে হাসপাতাল পরিদর্শনও শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে জেলার এক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী পূর্ব মেদিনীপুরে এসেছিলেন। শুনছি, এবার ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও আসবেন। সেটা এই সপ্তাহের শেষে বা আগামী সপ্তাহের শুরুতেও হতে পারে।’

ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে এবং পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। শহরে তা দেখাও গিয়েছে। এবার জেলাগুলিতে সফর করে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে চাইছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আর তাতেই অনেকে ভীত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে যাঁরা কাজে ফাঁকি দেন অথবা মানুষের সেবা করেন না সঠিকভাবে। এই বিষয়ে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শন করা হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর রাখা হয়েছে। এবার আরও ভাল করে প্রত্যেকটি বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তাছাড়া সবং, শালবনী, গড়বেতা, ডেবরা, কেশপুরের নানা হাসপাতালে একাধিক অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসক, নার্স এবং পরিষেবার বিরুদ্ধে। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় পরিদর্শনে এলে তা তাঁর চোখে পড়বে। তাই এখন থেকে কাজ শুরু হয়েছে। তবে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার গৌতম মাইতি বলেছেন, ‘আমাদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও কর্মী নেই। একজন মাত্র সুইপার দিয়ে হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা সম্ভব হয় না। তবুও আমরা চেষ্টা করি।’