এসআইআর সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল থেকে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ। এর আগে একই কারণে ট্রাইব্যুনাল ছাড়েন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। তাঁদের পদত্যাগে ট্রাইব্যুনালের কাজ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসআইআরের বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা নামগুলির নিষ্পত্তির জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল। বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগও সেই ট্রাইব্যুনালের সদস্য হিসেবে একাধিক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করেছেন।
বর্তমানে প্রায় ২৭ লক্ষ আবেদন ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত মাত্র ২৮-৩০ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০টির বেশি মামলার শুনানি সম্ভব হচ্ছে না। ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে যুক্ত সূত্রের অভিযোগ, পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাবে কাজের গতি অত্যন্ত ধীর।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের একাংশের মতে, এই কাজ আদালতের শুনানির মতোই জটিল। প্রতিটি আবেদন নথি যাচাই করতে হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে সশরীরে হাজির হতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আদালতের মতো প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, আলাদা ওয়েবসাইট বা নোটিস জারির ব্যবস্থা না থাকায় নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জেলা প্রশাসনের সাহায্যের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের একাংশের আশঙ্কা, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করতে প্রায় ২৫ বছর সময় লাগতে পারে। বিচারপতি বাগের পদত্যাগে ট্রাইব্যুনালের কাজ আরও চাপে পড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।




