• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 23 June, 2026

আত্মরক্ষার্থে চিতাবাঘকে গুলি

চিতাবাঘের হামলায় উত্তরাখণ্ডের এক গ্রামে মৃত্যু হয়েছিল এক মহিলার। পরে বন দফতরের কর্মীদের ছোঁড়া গুলিতে মৃত্যু হল ওই বাঘটির।

চিতাবাঘের হামলায় উত্তরাখণ্ডের এক গ্রামে মৃত্যু হয়েছিল এক মহিলার। পরে বন দফতরের কর্মীদের ছোঁড়া গুলিতে মৃত্যু হল ওই বাঘটির। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উত্তরাখণ্ডের পৌরি গাড়ওয়াল জেলার কোট ব্লক বাদি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

 

সেখানে চিতাবাঘের আক্রমণে মৃত্যু হয়েছিল ৫৫ বছরের এক মহিলার। মৃতার নাম ছিল প্রভা দেবী। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে গ্রাম লাগোয়া মাঠে গবাদি পশুর জন্য ঘাস সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন তিনি। অনেকক্ষণ না ফেরায় তাঁর স্বামী মাঠে গিয়েছিলেন খুঁজতে। মাঠেই প্রভা দেবীর দেহাংশ ও রক্তের দাগ দেখতে পেয়েছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে সতর্ক করেন তিনি।

 

এলাকার বাসিন্দাদের দাবি চিতাবাঘের আক্রমণেই মৃত্যু হয়েছে ওই মহিলার। তাঁরা খবর দেন বন বিভাগে। খবর পেয়ে জেলা সদর দফতর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের ওই গ্রামে যান বন দফতরের আধিকারিক ও কর্মীরা। তাদের সঙ্গে ছিলেন সরকারি শিকারিরাও। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, ওই মহিলার শরীরের অবশিষ্ট অংশ  খুঁজে বের করার জন্য বন বিভাগ, রাজস্ব বিভাগের আধিকারিক, পুলিশ এবং গ্রামবাসীরা যৌথ তল্লাশি অভিযান চালায়। ওই এলাকা থেকে কিছুটা দূরে একটি পরিত্যক্ত কাঠামোর মধ্যে পাওয়া যায় মহিলার দেহাংশ।

 

গাড়োয়ালের ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার মহাতিম যাদব জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত কাঠামোর পাশে একটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে ছিল চিতা বাঘটি। বন দফতরের কর্মীরা সেখানে পৌঁছতেই ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে চিতাবাঘটি আচমকা তাদের উপরে আক্রমণ করে। তখনই তাকে গুলি করা হয়। সাধারণ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে এবং আত্মরক্ষা করার জন্যই গুলি করেন বন দফতরের কর্মীরা।  তাঁদের দাবি এছাড়া অন্য উপায় ছিল না।

তবে ওই চিতাবাঘের হামলাতেই মহিলাটির মৃত্যু হয়েছিল কিনা তা তদন্ত করে দেখছেন আধিকারিকেরা। পাশাপাশি ওই এলাকার আশেপাশে আর কোনো চিতাবাঘ আছে কি না তাও দেখা হচ্ছে।