পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ-সহ মহার্ঘ ত্রাণ বা ডিয়ারনেস রিলিফ (ডিআর) মেটাতে উদ্যোগী হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এ বিষয়ে প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের অফিস থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০৮-এর ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯-এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ এবং ডিআর প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ২০১৬-র জানুয়ারি থেকে ২০১৯-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। একটি বিশেষ ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে এই বকেয়া অর্থ সরাসরি পেনশনভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে খবর। এই কাজের জন্য প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে প্রতিটি পেনশনভোগীর জন্য পৃথক হিসাব তৈরি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশনভোগীদের তথ্য সংগ্রহের কাজও চলছে। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ দেওয়ার কাজ আগেই শুরু হয়েছিল।
Advertisement
পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া দ্রুত মেটানোর লক্ষ্যে রাজ্যের অর্থ দপ্তর, প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল এবং বিভিন্ন অনুমোদিত ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনায় স্থির হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলি দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেবে। সেই তথ্য যাচাই করে বকেয়া পাওনার হিসাব করা হবে। ইতিমধ্যেই কিছু ব্যাঙ্ক প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিয়েছে।
Advertisement
যে সমস্ত ব্যাঙ্ক এখনও জমা দেয়নি তাদের দ্রুত তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই তথ্য যাচাইয়ের পর প্রতিটি পেনশনভোগীর প্রাপ্য বকেয়া নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে তাদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানো হবে। তবে স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে কীভাবে বকেয়া অর্থ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও নির্দেশ জারি হয়নি। সূত্রের খবর, এই বিষয়েও খুব শীঘ্রই আলাদা নির্দেশ জারি হবে।
Advertisement



