বেলডাঙার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার বহরমপুরে রোড শো শেষে জনসভা করে একাধিক ইস্যুতে সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলে দলে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই রণসংকল্প সভা থেকেই তিনি একদিকে যেমন বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ জানান, তেমনই বেলডাঙার অশান্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তাও দেন। ঝাড়খণ্ডে পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জেলার পরিস্থিতি যখন অগ্নিগর্ভ, ঠিক সেই সময় বহরমপুরের মঞ্চ থেকে বড় রাজনৈতিক ও মানবিক বার্তা দেন অভিষেক।
এদিন বহরমপুর স্টেডিয়ামে অভিষেকের হেলিকপ্টার নামে। সেখান থেকে তিনি জাতীয় সড়ক সংলগ্ন মোহনা বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায় যান। এরপর শুরু হয় রোড শো। এই রোড শো ঘিরে দেখা দেয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উন্মাদনা। হাজার হাজার কর্মী হাতে দলের পতাকা এবং ত্রিরঙা বেলুন নিয়ে তাদের নেতাকে অভ্যর্থনা জানাতে থাকেন। শনিবার বহরমপুরে আয়োজিত এই বিশাল রণসংকল্প সভা ও রোড শো-তে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। দলে দলে কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ের মাঝে তিনি মিছিল ও জনসভায় যোগ দেন।
Advertisement
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক স্পষ্ট করে বলেন, ‘ধর্মের নামে বিভাজন ঘটিয়ে বাংলার শান্ত পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। এই রাজনীতি তৃণমূল কংগ্রেস কখনও করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। বিজেপি পরিকল্পিতভাবে হিন্দু-মুসলমান বিভাজনকে হাতিয়ার করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে। বাংলার মানুষ বিভাজনের রাজনীতি মানে না, বাংলা মাথা নত করতেও জানে না।’
Advertisement
বহরমপুরের মঞ্চ থেকেই নাম না করে বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে নিশানা করেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘এই মাটিতে এক ‘নতুন গদ্দার’ তৈরি হয়েছে, যার পিছনে রয়েছে বিজেপির প্রত্যক্ষ মদত। বেলডাঙার সাম্প্রতিক অশান্তির নেপথ্যেও এই শক্তিগুলিরই হাত রয়েছে।’ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তাঁর বার্তা, ‘কোনও প্ররোচনায় পা দিলে লাভ হবে বিজেপি ও এই গদ্দারদেরই।’
বেলডাঙায় ঘটে যাওয়া অশান্তি প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, ‘ঝাড়খণ্ডে কাজ করতে গিয়ে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই তিনি একাধিক মহলের সঙ্গে কথা বলেছেন।
এরপর ছয়ের পৃষ্ঠায়
Advertisement



