• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 31 October, 2026

আজ হ্যালোউইন, শনিবারের বারবেলায় কবর থেকে কি বেরিয়ে আসবে ভূতেরা?

স্কটিশ শব্দ ‘অল হ্যালোজ’ শব্দ থেকে জন্ম নেওয়া হ্যালোউইন শব্দের অর্থ ‘পবিত্র সন্ধ্যা’

আজ হ্যালোউইন, শনিবারের বারবেলায় কবর থেকে কি বেরিয়ে আসবে ভূতেরা?

Image: IANS

ভূত নিয়ে মানুষের ফ্যান্টাসির অন্ত নেই। সে বাঙালির ভূত চতুর্দশী হোক কিংবা পশ্চিমী দুনিয়ার হ্যালোউইন, ভূত নিয়ে কম-বেশি মজে সবাই। ৩১ অক্টোবর অর্থাৎ আজকের দিনে গোটা দুনিয়া মেতে ওঠে হ্যালোউইনের নেশায়। স্কটিশ শব্দ ‘অল হ্যালোজ’ শব্দ থেকে জন্ম নেওয়া হ্যালোউইন শব্দের অর্থ ‘পবিত্র সন্ধ্যা’।

Image: IANS

হ্যালোউইন বললেই প্রথমে কমলা রঙের কুমড়োর ছবিই চোখের সামনে ভেসে ওঠে। এই উৎসবের সঙ্গে কুমড়ো ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। পাকা কুমড়ো কেটে তার মধ্যে চোখ-নাক-মুখ তৈরি করে ভিতরে জ্বলন্ত মোমবাতি রেখে দেওয়া হয়। তারপর কুমড়োগুলিকে রাখা হয় একটি  অন্ধকার জায়গায়। সব মিলিয়ে এক ভৌতিক পরিবেশ তৈরি হয়। এর পাশাপাশি ভুতুড়ে পোশাক পরে একে অপরকে ভয় দেখানোর পালাও চলে।

Image: IANS

অক্টোবরের শেষ দিনে কেন বলুন তো হ্যালোউইন উদযাপন করা হয়? খ্রিস্টানদের কেল্টিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর হল বছরের শেষ দিন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বছরের শেষ রাতে কবর থেকে বেরিয়ে আসেন আত্মারা। এই অশুভ শক্তিকে তাড়াতেই আগে মানুষ ভূত-প্রেত সেজে থাকতেন। যাতে ভূতেরা ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়। বাড়ির বাইরে কুমড়োর মধ্যে আলো জ্বালিয়ে রাখার উদ্দেশ্যই হল অশুভ শক্তিকে দূরে সরিয়ে রাখা।

Image: IANS

তবে বর্তমানে কচিকাঁচাদের কাছে হ্যালোউইন এক মজার উৎসব। ‘ট্রিক আর ট্রিট’ খুদেদের কাছে খুবই জনপ্রিয় এক খেলা। ভুতুড়ে পোশাকে  নিজেদের সাজিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চকোলেট বা লজেন্স সংগ্রহ করার মজাই আলাদা।

আরও পড়ুন: হ্যালোউইন ঘিরে নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা ফ্রান্সে, ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন

হাজার দুয়েক বছর আগে আয়ারল্যান্ড আর ইংল্যান্ডের কেল্টিক জনজাতির হাত ধরে এই মজার উৎসব জন্ম নিয়েছিল। তাদের নববর্ষের প্রথা আজ বিশ্ব উৎসবে পরিণত হয়েছে। গ্লোবাল হ্যালোউইনে মজে খুদে থেকে বড়রা। এক সময়ের ভয়ের রাত বর্তমানে ভূত সেজে রোমাঞ্চ উপভোগ করার রাতে পরিণত হয়েছে।

দেখুন: