• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 1 August, 2026

অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ব্রিটেন, ১৬ বছরের কমবয়সিদের জন্য নিষিদ্ধ সোশ্যাল মিডিয়া

এবার এই দেশগুলির পাশাপাশি ফ্রান্স, ডেনমার্ক, গ্রিস ও জার্মানির মতো বহু দেশও একই পথে হাঁটতে চাইছে।

অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ব্রিটেন, ১৬ বছরের কমবয়সিদের জন্য নিষিদ্ধ সোশ্যাল মিডিয়া

অস্ট্রেলিয়ার পরে এবার ব্রিটেন। ১৬ বছরের নিচে কেউ আর সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারবে না। এমনটাই ঘোষণা করেছে ব্রিটেন। সোমবার ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানান।

এ নিয়ে স্টার্মার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় ফেসবুক, ইউটিউব এবং এক্সের মতো প্ল্যাটফর্মগুলি রয়েছে। যদিও হোয়াটসঅ্যাপের মতো মেসেজিং অ্যাপগুলি এর আওতায় পড়বে না। এর পাশাপাশি অনলাইন গেমিং ও লাইভ স্ট্রিমিং সার্ভিসের ক্ষেত্রেও কিছু বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা ২০২৭ সালের শুরুতেই কার্যকর করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিশুদের ভবিষ্যৎ ও মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা হবে না। শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করাটাই আমাদের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে কাজটা যে এতটাও সহজ হবে না সেটা আমরা জানি। স্টার্মার জানিয়েছেন, কোনও বাবা-মা যদি তার সন্তানকে কোনও অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে দেখেন, যাকে তাঁরা কেউ চেনেন না। সেটা দেখার পরেও তাঁরা নিজেদের সন্তানকে মিশতে দেবেন না। তাই এবিষয়ে আগে থেকেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এর পাশাপাশি স্টার্মার জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপের  সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনি ক্ষমতা ব্রিটেন সরকারের রয়েছে। তিনি বলেছেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শিশুদের কটূক্তি, নিগ্রহ এবং মানসিক হেনস্থার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। এর ফলে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শিশুদের দূরে রাখতে ব্রিটেন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ডিসেম্বরেই কড়া আইন এনে সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেখানেও ১৬ বছরের কম বয়সিদের উপরে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াতেও একই জিনিস কার্যকর হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এবার এই দেশগুলির পাশাপাশি ফ্রান্স, ডেনমার্ক, গ্রিস ও জার্মানির মতো বহু দেশও একই পথে হাঁটতে চাইছে।