• facebook
  • twitter
Saturday, 17 January, 2026

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা দেশেই থাকুক, চাইছেন মহম্মদ সিরাজ

দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সিরিজ়ে সমতা ফিরিয়েছে ভারত। ড্যারিল মিচেল ও উইল ইয়ংদের চাপে ফেলতে পারেননি ভারতের বোলারেরা।

এবারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম সেরা বোলার মহম্মদ সিরাজকে দেখতে পাওয়া যাবে না। কিন্তু দু’বছর আগে দেশের হয়ে খেলেছিলেন সিরাজ। সেই সিরাজকে এবারে ভারতীয় দলে রাখার কথা একদমই ভাবেননি নির্বাচকরা। তবে দল থেকে বাদ পড়েও আক্ষেপ নেই সিরাজের। তিনি বলেছেন, নির্বাচকরা যা ভেবেছেন, তাই করেছেন। আমার মনে হয়, দল হিসাবে ভারত যে কোনও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এগিয়ে থাকবে।

তবুও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রবিবার তৃতীয় একদিনের ম্যাচে খেলতে নামার আগে মহম্মদ সিরাজ স্পষ্ট জানালেন, ‘আগের বিশ্বকাপে খেলেছিলাম। এ বার দলে নেই। একজন ক্রিকেটারের কাছে বিশ্বকাপে খেলা একটা স্বপ্ন। দেশের হয়ে খেলতে নামার চেয়ে ভাল কিছু হয় না। তবে এই দলটা খাতায়-কলমে যথেষ্ট শক্তিশালী। আমার শুভেচ্ছা রইল দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য। আমি আশা করব চ্যাম্পিয়ন ট্রফিটা দেশেই থাকুক।’

Advertisement

টেস্ট দলে নিয়মিত খেললেও এক দিনের দলে সবসময় খেলার সুযোগ হয় না সিরাজের। টি-টোয়েন্টি থেকে কার্যত ব্রাত্যই হয়ে গিয়েছেন। সে কথা অবশ্য মানেননি জোরে বোলার সিরাজ। তিনি বলেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আগের সিরিজ়ে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল কারণ দ্বিতীয় টেস্টে ৪০ ওভার বল করেছিলাম। তাই দলে ঢোকা-বেরোনোর প্রশ্নই নেই। অস্ট্রেলিয়া সিরিজ়ে খেলেছি। পরের সিরিজে খেলিনি। জোরে বোলারের ক্ষেত্রে বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধারাবাহিক ভাবে টেস্টে খেলছি আমি। ফলে পরিশ্রম হয়েছে অনেকটাই। ছন্দ এবং মনোযোগ ফিরে পেতে নিজেকে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি।’

Advertisement

৫০ ওভারের ক্রিকেটে ভাল খেলতে পারছেন না জাদেজা। মাঝের ওভারগুলিতে উইকেটই নিতে পারছেন না। তবে সিরাজের মতে, জাদেজা একটি উইকেট পেলেই পরিস্থিতি বদলে যাবে। সিরাজের কথায়, জাদেজার ফর্ম নিয়ে ভাবার কিছু নেই। একটা উইকেটের ব্যাপার। তার পরেই সম্পূর্ণ আলাদা বোলার হিসেবে দেখতে পাওয়া যাবে।’ দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সিরিজ়ে সমতা ফিরিয়েছে ভারত। ড্যারিল মিচেল ও উইল ইয়ংদের চাপে ফেলতে পারেননি ভারতের বোলারেরা।

তবে সিরাজ বলেছেন, ‘আমরা দুটো ম্যাচেই ভাল খেলেছি। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং দুটোই ভাল হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুর দিকে উইকেট হারালেও কেএল রাহুল এবং নীতীশ রেড্ডি দলকে টেনে নিয়ে গেছেন। ভারতীয় শিবিরে অত্যন্ত খোলামেলা পরিবেশ। সিনিয়ররা যেভাবে দলকে অনুপ্রাণিত করছেন, তা বড় ব্যাপার। যে কোনও তরুণ ক্রিকেটার, তা হাতিয়ার করে ভালো খেলার চেষ্টা করে থাকেন। খেলায় তো হারজিত থাকবেই। তা নিয়ে নতুন করে বলার প্রয়োজন হয় না। যখনই বড় মাপের প্রতিযোগিতায় আমরা খেলতে নামি, তখন মানসিক দিক দিয়ে আমরা দৃঢ়তা দেখাতে চেষ্টা করে থাকি।’

Advertisement