ভারতের মাটিতে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ফাইনাল খেলার আগেই ছিটকে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে, ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের খেলোয়াড়রা সঙ্গে সঙ্গে দেশে ফিরে যেতে পারেননি। কারণ ইরান ও ইজরায়েলের যুদ্ধের কারণে অনেক বিমানবন্দর থেকে বিমান ছাড়তে পারছে না। বিশেষ করে দুবাইতে কোনও বিমান ওঠানামা করতে পারছে না। সেই কারণেই দিনের পর দিন ভারতেই থাকতে হচ্ছে ছিটকে যাওয়া দলগুলির খেলোয়াড়দের। তবে আইসিসি-র পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হয়েছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওই দলগুলির খেলোয়াড়দের দেশে ফিরিয়ে দিতে। তার জন্য বিশেষ চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অবশেষে শনিবার রাতেই ইংল্যান্ড দল ফিরে গিয়েছে দেশে। কিন্তু অন্য দলগুলি এখনও পর্যন্ত ভারত ছাড়তে পারেনি। তার জন্য ক্ষুব্ধ তারা। এমনকি আইসিসি-কে নিশানা করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি’কক এবং ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার মাইকেল ভনেরা। তাঁরা বলেছেন, আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই এখানে অবস্থান করছি, কিন্তু ইংল্যান্ড দলের দুই তিনদিনের মধ্যেই দেশে ফিরে যাওয়া কীভাবে সম্ভব হল? কেন তাদেরকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার কিছুটা ক্ষোভের সঙ্গে বলেছেন, আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছে, আমরা কিছুই জানতে পারছি না। অন্ধকারে রেখে দেওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে ইংল্যান্ড দল চলে গেল। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন বলেছেন, ইংল্যান্ড শনিবারই ফিরে যেতে পারল কিন্তু গত রবিবার থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কলকাতাতেই অপেক্ষা করছে। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকারও একই হাল। এখানেই বোঝা যাচ্ছে ক্ষমতার কত তফাত।
Advertisement
গত ১ মার্চ ইডেনে ভারতের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪ মার্চ ইডেনেই নিউজিল্যান্ডের কাছে সেমিফাইনালে হেরে বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫ মার্চ মুম্বইয়ে ভারতের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। সকলের শেষে বাদ গিয়েও ইংল্যান্ড দেশে ফিরে গিয়েছে। কিন্তু বাকি দুই দল ভারতে আটকে রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী মঙ্গলবার একই বিমানে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ক্রিকেটাররা তাঁদের দেশে উড়ে যাবেন।
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল একই বিমানে প্রথমে জোহানেসবার্গ যাবে। সেখানে ডি’ককেরা নেমে যাবেন। তার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিমান তাঁদের দেশে যাবে।
Advertisement



