• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 22 October, 2026

বায়ার্নকে জিততে দিল না আর্সেনাল, কেনের পেনাল্টির জবাব রাইসের গোলে

এই গোলের সঙ্গে আরও একটি নজির গড়েন কেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১০টি ম্যাচে গোল করলেন তিনি। প্রতিযোগিতায় টানা ১১টি ম্যাচে

বায়ার্নকে জিততে দিল না আর্সেনাল, কেনের পেনাল্টির জবাব রাইসের গোলে

Bayern Munich Draw Photo-SNS

শেষ মুহূর্তের লড়াইয়ে হার মানল না আর্সেনাল। ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ২-২ ড্র করল গত মরসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রানার্স দল। বায়ার্নের হয়ে গোল করলেন আলফোনসো ডেভিস ও হ্যারি কেন। আর্সেনালের হয়ে বল জালে জড়ালেন এবে‌রেচি এজে এবং ডেকলান রাইস। বুধবারের এই ম্যাচে শেষ বাঁশি বাজার আট মিনিট আগে রাইসের গোলই কেড়ে নিল বায়ার্নের জয়।

এই ড্রয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট হল আর্সেনালের। বায়ার্নের পয়েন্ট পাঁচ।

ম্যাচের শুরুতেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বুকায়ো সাকাকে। আট মিনিটের মাথায় ঊরুতে চোট পেয়ে বসে পড়েন আর্সেনালের এই ইংরেজ তারকা। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন এজে। কিন্তু সেই ধাক্কা সামলেও আক্রমণে ঝাঁঝ কমেনি আর্সেনালের।

২৫ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এজে। প্রথমে অফসাইডের পতাকা উঠলেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির হস্তক্ষেপে গোলের স্বীকৃতি মেলে।

তবে বায়ার্নকে বেশিক্ষণ আটকে রাখা যায়নি। ৩৫ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দুরন্ত পাস বাড়িয়ে আর্সেনালের রক্ষণ ভেঙে দেন কেন। তাঁর পাস ধরে গোল করে সমতা ফেরান ডেভিস। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করে। বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ব্রুনো গিমারায়েসের হেড দুরন্ত দক্ষতায় ক্রসবারের উপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন। অন্য দিকে, আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন।

এর পরেই ম্যাচে ফের এগিয়ে যায় বায়ার্ন। বক্সের বাইরে থেকে কেনের শট আর্সেনালের জুরিয়েন টিম্বারের হাতে লাগে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে গোল করতে ভুল করেননি ইংল্যান্ডের অধিনায়ক।

এই গোলের সঙ্গে আরও একটি নজির গড়েন কেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১০টি ম্যাচে গোল করলেন তিনি। প্রতিযোগিতায় টানা ১১টি ম্যাচে গোল করার নজির রয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। সেই রেকর্ড থেকে মাত্র এক ম্যাচ দূরে কেন।

বায়ার্ন যখন জয়ের অপেক্ষায়, তখনই ম্যাচে ফিরে আসে আর্সেনাল। পরিবর্ত হিসেবে নামা ভিক্টর ইয়োকেরেসের পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন রাইস। ৮২ মিনিটে তাঁর নিখুঁত শটে পরাস্ত হন নয়্যার। ২-২ গোলে সমতা ফেরায় আর্সেনাল।

শেষ দিকে জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দু’দলই। কিন্তু আর গোল হয়নি। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

ম্যাচের পরে কেন বলেন, ‘আমরা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিলাম। গোল করার পরে এমন একটা সুযোগ এসেছিল, যখন ম্যাচটা নিজেদের পক্ষে শেষ করে দিতে পারতাম। আমার মনে হয়, সামগ্রিক ভাবে ড্র-ই এই ম্যাচের ন্যায্য ফল। অনেক ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। চোটের কারণে কয়েক জন ফুটবলার নেই, আজও কয়েক জনকে পাওয়া যায়নি। তাই এই এক পয়েন্ট নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’