• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 25 August, 2026

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিরুদ্ধে পূর্বাঞ্চলের ইনিংসে জয়ে উইকেটহীন শামি, ম্যাচের সেরার খেতাব পেলেন কে?

বাংলার দুই ব্যাটার সুদীপ ঘরামি ও শাহবাজ আহমেদই এর অর্ধেক কৃতিত্ব ভাগাভাগি করে নিতে পারেন। তবে শাহবাজকে একটু বেশিই ভাগ দিতে হবে। কারণ, তিনি শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাতেও সফল হয়েছেন

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিরুদ্ধে পূর্বাঞ্চলের ইনিংসে জয়ে উইকেটহীন শামি, ম্যাচের সেরার খেতাব পেলেন কে?

Photo: Representational Image

উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে শেষ পর্যন্ত ইনিংসেই হারাল পূর্বাঞ্চল। নিজেরা প্রথমে বিশাল রানের পাহাড় গড়ে, তার পর প্রতিপক্ষকে দু’বার অলআউট করে দিয়ে ইনিংস ও ২১০ রানে জিতে দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে উঠলেন ইশান কিষাণরা। বাংলার দুই ব্যাটার সুদীপ ঘরামি ও শাহবাজ আহমেদই এর অর্ধেক কৃতিত্ব ভাগাভাগি করে নিতে পারেন। তবে শাহবাজকে একটু বেশিই ভাগ দিতে হবে। কারণ, তিনি শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাতেও সফল হয়েছেন।

অভিমন্যু ঈশ্বরণ, বৈভব সূর্যবংশী, ইশান কিষাণদের মতো নামী ব্যাটাররা রান না পেলেও সুদীপ ও শাহবাজের দুরন্ত ও দায়িত্বশীল ইনিংস পূর্বের দলকে ৪৬৭ রানের বিশাল ইনিংস গড়ে দেয়। এত বড় ইনিংসের ধাক্কা সামলানো কঠিন ছিল উত্তর-পূর্বের নবাগত ক্রিকেটারদের। তারা ব্যাট করতে নেমে ১১১ রান করেই অল আউট হয়ে যায়। ফলো অন করে ফের ব্যাট করতে নেমে মঙ্গলবার ১৪৬ রানে গুটিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: হকি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ব্যর্থতার কী ব্যাখ্যা দিলেন ভারতের কোচ ফালটন?

তাদের প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট পান ত্রিপুরার মিডিয়াম পেসার অভিজিৎ সরকার ও শাহবাজ বল হাতেও তিনটি উইকেট তুলে নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে উত্তর-পূর্বকে ১৪৬ রানে শেষ করে দেন ঝাড়খন্ডের স্পিনার অনুকুল রায়। এই ইনিংসে শাহবাজ নেন এক উইকেট। তবে সকলকে অবাক করে দিয়ে মাত্র তিন ওভার করে জোড়া উইকেট তুলে নেন বৈভব সূর্যবংশী। ব্যাট হাতে রান না পাওয়ার আক্ষেপ বল হাতে মিটিয়ে নিলেন তিনি। প্রতিপক্ষের চার নম্বর ব্যাটার কিষাণ লিংডো ও আট নম্বর ব্যাটার ইমলিওয়াতি লেমতুরকে আউট করেন তিনি।

এই ইনিংসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৯ রান করেন ফেইরোইজাম যোতিন। আর মাত্র চার ব্যাটার দুই অঙ্কের রান পান। বাকিরা কেউ দশেও পৌঁছতে পারেননি। ব্যাটে-বলে দুইয়েই সফল হয়ে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পান শাহবাজ আহমেদ। প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে প্রতিপক্ষের ওপেনার জোসেফ লালথানখুমাকে ফেরত পাঠান তিনি।

কিন্তু সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হল, প্রতিপক্ষের কুড়িটি উইকেট পড়লেও তার মধ্যে একটিও পেলেন না মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। এমন দূর্বল প্রতিপক্ষকে সামনে পেয়েও দুই ইনিংসে একটিও উইকেট পাননি মহম্মদ শামি(Mohammed Shami)। প্রথম ইনিংসে ন’ওভার ও দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ ওভার বোলিং করেন তিনি। মোট ৪৬ রান দেন। একটি উইকেটও পাননি। সম্ভবত ফিটনেস সমস্যা ভোগাচ্ছে তাঁকে। প্রথম ইনিংসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ব্যাটাররা সবচেয়ে বেশি রান তোলেন শামির(Mohammed Shami) বলেই।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপকে ‘ড্রেস রিহার্সাল’ ভাববেন না, হকি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শ্রীজেশ, কী জবাব দিলেন কোচ?

যে উইকেটে ও যে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিজিৎ সরকার মাত্র ২০ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট তুলে নেন, সেখানে শামির (Mohammed Shami) এমন নির্বিষ বোলিং কেন, এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ভারতের হয়ে খেলা মুকেশ কুমার তাও দু’ইনিংসে একটি করে উইকেট নিয়েছেন। কিন্তু শামির (Mohammed Shami) এই নিষ্ফলা বোলিং তাঁর ভবিষ্যতের পক্ষে মোটেই ভাল ইঙ্গিত নয়। সেমিফাইনালে পূর্বাঞ্চলের প্রতিপক্ষ মধ্যাঞ্চল। এই ম্যাচ হবে আগামী রবিবার থেকে, বেঙ্গালুরুতেই।

দেখুন: BPSC বাতিলের দাবিতে পাটনায় পড়ুয়াদের মিছিল, জলকামান ব্যবহার পুলিশের