আর অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে থাকবে না কোনও মামলা। এবার থেকে প্রতিটা অপরাধ মূলক ঘটনা, যা আদালত পর্যন্ত পৌঁছবে তার তদারকি করবে সেই থানা যেখানে অভিযোগ করা হয়েছিল।
‘ আগে যে মামলার যিনি তদন্তকারী আধিকারিক ছিলেন তিনিই সমস্তটা দেখতেন। এবার থেকে থানায় থানায় নিয়োগ করা হবে ‘ হোল্ডিং অফিসার ‘। এই আধিকারিকরাই মামলার তদারকি করবেন। ‘ জানালেন কলকাতা পুলিশের এক শীর্ষ অধিকারিক।
সম্প্রতি লালবাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। মামলার তদারকিতে যাতে কোনো ফাঁক না থাকে, সেটাই নিশ্চিত করবেন হোল্ডিং অফিসাররা।
একেবারে সিবিআইয়ের ধাঁচে এই পদ্ধতি শুরু করা হচ্ছে। সিবিআইয়ের মতো সংস্থায় যেমন হোল্ডিং ইনভেস্টিগেটিং অফিসার থাকেন, সেই পদ্ধতি চালু করছে কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের ওই শীর্ষ আধিকারিক আরও বলেন,
‘ অনেক সময় দেখা যায় যে তদারককারী বা তদন্তকারী আধিকারিকরা কোথাও বদলি হয়ে গেছেন। ফলে সেই মামলা দেখার কেউ নেই। এক্ষেত্রে হোল্ডিং অফিসাররা দেখবেন সেই সব মামলা।’
মহিলা নির্যাতন বা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের মতো স্পর্শকাতর মামলাগুলির অগ্রগতি নিয়মিত খতিয়ে দেখতে থানা বা ইউনিটের ওসি-দেরও বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।




