• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 1 November, 2026

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ, উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ উপাচার্যের

তাছাড়া এই কথা শুনে ওই শিক্ষাকর্মীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়ে যায়। পড়ুয়াদের তুমুল শোরগোলে তা সকলের নজরে আসে। যদিও

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ, উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ উপাচার্যের

Jadavpur University Photo-SNS

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। বারবার নানা ঘটনার অভিযোগে সরগরম হয়ে রয়েছে এই সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এবার আবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল! আর তা নিয়ে রীতিমতো উত্তপ্ত আবহ তৈরি হয়েছে। এমন অভিযোগ ওঠায় অন্যান্য ছাত্রছাত্রীরাও সেটা ভালভাবে নিচ্ছেন না। কলা বিভাগের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি বলে অভিযোগ উঠেছে। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে এক শিক্ষাকর্মীকে। আর তা নিয়েই ছাত্রছাত্রীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। পরিস্থিতি নিয়্ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করেন উপাচার্য।

এই ঘটনা এখন রীতিমতো চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ছাত্রছাত্রীরাও এই বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না। তবে উপাচার্য জানিয়েছেন, এমন গুরুতর অভিযোগের তদন্তে সমস্ত উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এই বিষয়টি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটিতে পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত যে শিক্ষাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না। উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এই কড়া পদক্ষেপ করার কথা জানিয়ে পরিস্থিতি নিয়্ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছেন। যদিও সূত্রের খবর, নিগৃহীতা ছাত্রী নিজে এখনও পর্যন্ত পৃথকভাবে কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি।

এই ঘটনা আসলে ঘটে শুক্রবার। তখন থেকেই ধীরে ধীরে সরগরম হতে শুরু করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ভবনের সাততলায় সিঁড়িতে বসে গল্প করছিলেন কলা বিভাগের প্রথম বর্ষের তিনজন ছাত্রী। তখন এক শিক্ষাকর্মী তাঁদের নিচে নেমে আসার কথা বলেন। তা শুনে দুই ছাত্রী নেমে এলেও একজন সেখানে থেকে গিয়েছিলেন। তারপর তাঁকে নিচে নামিয়ে আনতে সাততলায় পৌঁছে যান ওই শিক্ষাকর্মী। সেখানে একা পেয়ে ওই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরেন শিক্ষাকর্মী বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকী তাঁর হাত টেনে কাছে নিয়ে আসা হয় এবং কোমর জড়িয়ে ধরেন ওই শিক্ষাকর্মী বলে অভিযোগ। ছাত্রী কোনওক্রমে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন এবং সহপাঠীদের কাছে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন।

তাছাড়া এই কথা শুনে ওই শিক্ষাকর্মীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়ে যায়। পড়ুয়াদের তুমুল শোরগোলে তা সকলের নজরে আসে। যদিও শ্লীলতাহানির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ওই শিক্ষাকর্মী। বরং তাঁর দাবি, কিছুদিন আগে সাততলার ক্লাসরুম থেকে ল্যাপটপ চুরি হয়েছিল। তাই কারণ ছাড়া সাততলায় পড়ুয়াদের যাওয়া নিষেধ। আর সেখানে বসে গল্প করছিলেন তিনজন। কলা বিভাগের ওই ছাত্রীদের সাবধান করতেই তিনি গিয়েছিলেন। আর যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে সেটা ঘটেনি। অকারণে তাঁকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগকে হালকাভাবে দেখছে না কর্তৃপক্ষ।