জোসেফ (Reji Joseph) দ্য স্টেটসম্যান (The Statesman)-কে বলেন, “ভারতের দ্বীপগুলি ডুবে যাচ্ছে।” রাষ্ট্রদীপিকা দৈনিকে প্রকাশিত ওই ধারাবাহিক প্রতিবেদনে তিনি কোনও একটি বিপন্ন উপকূলকে আলাদাভাবে তুলে ধরেননি। বরং অসমের মাজুলি ও বাংলার সুন্দরবন থেকে শুরু করে লাক্ষাদ্বীপ এবং কেরলের বিপন্ন উপকূল পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এই সংকটের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
এই ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্যই জোসেফ (Reji Joseph) ২০২৫ সালের কুশরো ইরানি পরিবেশ সাংবাদিকতা পুরস্কার লাভ করেছেন। দ্য স্টেটসম্যান (The Statesman) এবং সি আর ইরানি ফাউন্ডেশন যৌথভাবে তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করেছে।জোসেফের (Reji Joseph) প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয়েছে, দ্বীপের জমি হারিয়ে যাওয়া শুধুমাত্র কোনও পরিবেশগত পরিসংখ্যান নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানুষের ঘরবাড়ি, জীবিকা, জীববৈচিত্র্য এবং বহু বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা।
আরেকটি বড় উদাহরণ সুন্দরবন। জোসেফ (Reji Joseph) তাঁর প্রতিবেদনে ঘোড়ামারার মতো দ্বীপগুলিতে ক্রমাগত ভাঙনের চিত্র তুলে ধরেছেন। সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি, প্রবল ঢেউ এবং ঘন ঘন চরম আবহাওয়ার কারণে সেখানকার মানুষের ঘরবাড়ি ও জীবিকা বিপদের মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ অরণ্যের পরিবেশব্যবস্থাও।
Cushrow Irani Prize for Environmental Reporting 2025
Reji Joseph won the Cushrow Irani Prize for Environmental Reporting 2025 for his wide-ranging series, “Disappearing Islands of India,” which documents the impact of erosion, rising seas, climate change and ecological damage on… pic.twitter.com/j9ZWptzI3A
— The Statesman (@TheStatesmanLtd) September 16, 2026
অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি লাক্ষাদ্বীপও। জোসেফ (Reji Joseph) তাঁর প্রতিবেদনে এমন কয়েকটি দ্বীপের কথা বলেছেন, যেগুলি ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হারিয়ে গেছে অথবা যাদের জমির বড় অংশ সমুদ্রের গ্রাসে চলে গেছে। লাক্ষাদ্বীপের বহু বসতিপূর্ণ দ্বীপ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক-দুই মিটার উঁচু হওয়ায় সেগুলির বিপন্নতা আরও বেশি।
কেরলেও তাঁর প্রতিবেদনের বিষয় ছিল বন্যা, উপকূলভাঙন এবং প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে পড়া মানুষ ও সম্প্রদায়গুলি।




