• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 27 September, 2026

গোলপার্ক কাণ্ডে জামিন ১৭ জনের, অধরা মূল পাণ্ডা

পাপ্পুর তরফে সমাজমাধ্যমে লাইভ করে দাবি করা হয়েছে যে, ঘটনার দিন ওই এলাকায় তিনি ছিলেন না। সেদিন তাঁর বাড়িতে, মাঘী পূর্ণিমার পুজো ছিল।

গোলপার্ক কাণ্ডে জামিন ১৭ জনের, অধরা মূল পাণ্ডা

Photo: File Photo

গোলপার্কের গন্ডগোলের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মোট ২৩ জনকে। তার মধ্যে ১৭ জনকে বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়। যদিও এই ঘটনায় জড়িত অন্যতম মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার এখনও অধরাই রয়েছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার রবীন্দ্র সরোবর এলাকার গোলপার্কে কাকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ঝামেলার সূত্রপাত হয়। জানা যায়, পঞ্চাননতলার একটি ক্লাবে পিকনিক চলছিল। তখনই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এলাকার এক ব্যবসায়ী বাপি হালদারের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর দলবলের মধ্যে গন্ডগোল বাধে।
এরপরে আচমকাই বোমাবাজি শুরু হয়। এমনকি গুলি চলে বলেও অভিযোগ। দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। ভয়ে, আতঙ্কে সিঁটিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পুলিশের গাড়িতেও অবাধে চলে ভাঙচুর। উত্তেজনা চরমে ওঠে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের তরফে, সোনা পাপ্পুর দিকে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগ, সোনা পাপ্পু এলাকার জমি দখল করতে চাইছিল। আর তা নিয়েই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা বাধে। সোনা পাপ্পুর নামে অশান্তি সৃষ্টি করার অভিযোগে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আবার বাপি হালদারের নামেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত দুজনকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি।

পাপ্পুর তরফে সমাজমাধ্যমে লাইভ করে দাবি করা হয়েছে যে, ঘটনার দিন ওই এলাকায় তিনি ছিলেন না। সেদিন তাঁর বাড়িতে, মাঘী পূর্ণিমার পুজো ছিল। সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সেখানেই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তাঁকে বাড়ির সিসিটিভিতেও দেখা গিয়েছে।