ভারত ও বাংলাদেশের দীর্ঘ ৩০ বছরের গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি এই বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হচ্ছে। উভয় দেশই বছরের প্রথম দিনেই যৌথভাবে জল পরিমাপের কাজ শুরু করেছে।
চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত গঙ্গা ও পদ্মার নির্ধারিত পয়েন্টে জলের স্তর পরিমাপ করা হয়। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, বাংলাদেশের পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৩,৫০০ ফুট উজানে এবং ভারতের গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে এই বছরের যৌথ পরিমাপ শুরু হয়েছে।
Advertisement
ভারত থেকে কেন্দ্রীয় সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের (সিডব্লিউসি) ডেপুটি ডিরেক্টর সৌরভ কুমার এবং সহকারী ডিরেক্টর সানি অরোরার নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের (উত্তর-পূর্ব পরিমাপ) হাইড্রোলজি বিভাগের কার্যনির্বাহী ইঞ্জিনিয়র আরিফিন জুবায়েদের নেতৃত্বে চার সদস্যের দল ভারতে এসেছে। দুই দেশের প্রতিনিধি দল পারস্পরিক সমন্বয়ে জল পরিমাপের কাজ করছে।
Advertisement
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ভারত থেকে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা প্রতিনিধি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলের পরিমাপ প্রতি ১০ দিনে রেকর্ড করা হয়।
১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে কার্যকর ছিল এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। সূত্রের খবর, দুই দেশ ইতিমধ্যেই চুক্তি পুনর্নবীকরণের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। তবে তিস্তার জল বণ্টন নিয়ে এখনও কোনও চুক্তি বা সমঝোতায় আসতে পারেনি ভারত ও বাংলাদেশ।
Advertisement



