• facebook
  • twitter
Monday, 16 February, 2026

মুম্বাই বিস্ফোরণের চক্রী আবু সালেমের আগাম জেলমুক্তির আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

সালেমের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেলের ৩ বছর ১৬ দিনের সাজা মুকুব হওয়ার যোগ্য

সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই জেলমুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন গ্যাংস্টার আবু সালেম। সালেমের সেই আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে অন্যতম দোষী সাব্যস্ত সালেম। জেলে ভাল আচরণের জন্য মেয়াদ পূরণের আগে মুক্তির আবেদন জানান তিনি। সালেমের আইনজীবীর দাবিতাঁর মক্কেলের ৩ বছর ১৬ দিনের সাজা মুকুব হওয়ার যোগ্য।

এই ছাড় পেলে তিনি জেল থেকে বের হতে পারবেন। তবে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই আর্জি গ্রহণযোগ্য নয়। বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতাকে নিয়ে গঠিত শীর্ষ আদালতের এক বেঞ্চ জানিয়েছেআবেদনকারী টাডা’-র আওতায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। সালেমের অপরাধের যা রেকর্ড তাতে তাঁর এই আর্জি বিশেষভাবে বিবেচনা করা যায় না। তবে

Advertisement

সালেম চাইলে আগাম মুক্তির জন্য বম্বে হাইকোর্টে আবেদন করতে পারেন। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল মুম্বাই। ওই হামলায় প্রাণ গিয়েছিল ২৫৭ জনের। জখম হন সাড়ে সাতশোরও বেশি মানুষ। ওই বিস্ফোরণের অন্যতম চক্রী হিসেবে চিহ্নিত হন সালেম। ঘটনার পরই নিরাপত্তা কর্মীদের চোখে ধুলো দিয়ে দেশ ছাড়েন সালেম।

Advertisement

পলাতক থাকাকালীনই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। ২০০৫-এর নভেম্বরে পর্তুগাল থেকে সালেমকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ওই সময়েই কেন্দ্র পর্তুগালকে আশ্বাস দিয়েছিলসালেমকে ২৫ বছরের বেশি সাজা দেওয়া হবে না। ২০৩০ সালে সালেমের সাজার মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

এরই মধ্যে ২০১৫ সালে অন্য একটি মামলায় সালেমের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় বিশেষ টাডা’ আদালত।  ১৯৯৫ সালে মুম্বইয়ের নির্মাণ ব্যবসায়ী প্রদীপ জৈন এবং তাঁর চালক মেহেদি হাসানকে খুনের দায়ে সন্ত্রাস এবং অপরাধমূলক কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন বা টাডা-র আওতায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। যদিও এর আগে ২০২৫-এও আগাম জেলমুক্তির জন্য বম্বে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন  সালেম। কিন্তু হাইকোর্ট সেই আর্জি খারিজ করে দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টে যান সালেম। তবে সর্বোচ্চ আদালতেও সুরাহা মিলল না কুখ্যাত এই অপরাধীর। 

Advertisement