বৈঠকে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের মোট ১০ জন প্রতিনিধি থাকার কথা। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের পক্ষে থাকবেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম ও গোপা বিশ্বাস এবং প্রতিনিধি শ্যামল কুমার মিত্র। অন্য একটি সংগঠনের পক্ষে থাকবেন আইনজীবী করুণা নন্দী, বিপুল কুমার ও প্রতিনিধি মৃন্ময় শ্রীমানি। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষে থাকবেন আইনজীবী অভিজিৎ উপাধ্যায় ও কনভেনর ভাস্কর ঘোষ।
আরও পড়ুন: মহাকাশে ভারতের নতুন ‘চোখ’, দেশ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে নজরদারি চালাবে ইসরোর ইওএস-০৫ উপগ্রহ
কর্মচারীদের অন্যতম প্রধান দাবি, রোপা ২০০৯-এর বিধি অনুযায়ী ‘অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স’ বা এআইসিপিআইয়ের ভিত্তিতেই ডিএ নির্ধারণ করতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্য সেই নিয়ম মেনে ডিএ দেয়নি। পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব কোনও পৃথক কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স নেই বলেও তাঁদের দাবি।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রাজ্য জানিয়েছে, সরকারি কর্মী, সরকারপোষিত কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। সরকারি কর্মীদের জন্য ১১,৭৯০ কোটি, সরকারপোষিত কর্মীদের জন্য ১৮,৩৬৯ কোটি এবং পেনশনভোগীদের জন্য ১১,৬১১ কোটি টাকা লাগবে বলে রাজ্যের হিসাব। রাজ্যের দাবি, বকেয়া ডিএ-র ৬৫ শতাংশ ইতিমধ্যেই মেটানো হয়েছে। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে জানিয়েছিলেন, প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
তবে কর্মচারীদের দাবি, বহু শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, অধ্যাপক ও পেনশনভোগী এখনও বকেয়া এরিয়ার পাননি। সরকারপোষিত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া নিয়েও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা চলছে। এবিটিএ-র মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিংহের বেঞ্চ ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্যকে নিজেদের অবস্থান জানাতে বলেছে।
বকেয়া ডিএ-র ৮৫ শতাংশ মিটিয়ে বাকি ১৫ শতাংশে ছাড় এবং ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়া দু’বছরে চার কিস্তিতে মেটানোর যে প্রস্তাব রাজ্য দিয়েছে, তাতেও আপত্তি রয়েছে কর্মচারীদের। ১২ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে তাই ডিএ-র হিসাব, এআইসিপিআই, ১০০ শতাংশ বকেয়া মেটানো এবং কিস্তির প্রস্তাব—সবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
দেখুন:




