• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 30 June, 2026

৫০০ কেজি গাঁজা ইঁদুরের উদরস্থ, আদালতে বলল যোগীর পুলিশ

লখনউ, ২৪ নভেম্বর– কি কলি! ইঁদুরও নাকি গাঁজা অনুরাগী। আর সেই অনুরাগে তারা নাকি এক-দুই নয় মোট ৫০০ কেজি গাঁজা খেয়ে সাবাড় করে দিয়েছে। এমনটাই বলছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তাও আদালতে দাঁড়িয়ে।  মথুরায় নিম্ন আদালতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, থানার বাজেয়াপ্ত জিনিসের গুদাম থেকে ৫০০ কেজিরও বেশি গাঁজা খেয়ে ফেলেছে ইঁদুর। যদিও এই গাঁজাখুরি কথা পছন্দ হয়নি বিচারকের। ইঁদুরেই যে

৫০০ কেজি গাঁজা ইঁদুরের উদরস্থ, আদালতে বলল যোগীর পুলিশ

লখনউ, ২৪ নভেম্বর– কি কলি! ইঁদুরও নাকি গাঁজা অনুরাগী। আর সেই অনুরাগে তারা নাকি এক-দুই নয় মোট ৫০০ কেজি গাঁজা খেয়ে সাবাড় করে দিয়েছে। এমনটাই বলছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তাও আদালতে দাঁড়িয়ে। 

মথুরায় নিম্ন আদালতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, থানার বাজেয়াপ্ত জিনিসের গুদাম থেকে ৫০০ কেজিরও বেশি গাঁজা খেয়ে ফেলেছে ইঁদুর। যদিও এই গাঁজাখুরি কথা পছন্দ হয়নি বিচারকের। ইঁদুরেই যে গাঁজা খেয়েছে তার তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে বলেছেন তিনি।

মথুরার আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের শুরুতে দুষ্কৃতীদের থেকে কয়েকশো কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এই বিষয়ের মামলার শুনানিতে বাজেয়াপ্ত গাঁজার খোঁজ পড়ে। তখনই আদালতে পুলিশের তরফে জানানো হয়, বাজেয়াপ্ত হওয়া ৫৮১ কেজি গাঁজা যার বাজার মূল্য ৬০ লক্ষ টাকা, তা ইঁদুরে খেয়ে নিয়েছে। এর উত্তরে নিম্ন আদালেতর বিচারক এসএসপির অভিষেক যাদবের উদ্দেশে রীতমতো কটাক্ষের সুরে বলেন, ইঁদুর-আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসুন। পাঁচশো কেজির বেশি গাঁজা যে ইঁদুরই খেয়েছে তার তথ্যপ্রমাণ দাখিল করুন আদালতে।

জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত গাঁজা যে গুদামে ছিল সেটি রয়েছে শেরগড়ে, হাইওয়ে পুলিশ স্টেশনের এলাকায়। মামলার বিগত শুনানিতেই আদালতে বাজেয়াপ্ত গাঁজা পেশ করতে বলেছিলেন জেলা আদালতের বিচারক। যদিও এদিন খালি হাতে বিচারকক্ষে হাজির হয় পুলিশ। ২৬ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

উল্লেখ্য, এর আগ গত ১৮ নভেম্বর ১৯৫ কেজি বাজেয়াপ্ত গাঁজা আদালতের পেশ করতে বললেও একই কথা বলেছিল মথুরা পুলিশ। এমনকী যুক্তি তারা দেয়, ইঁদুর যেহেতু ছোট প্রাণী। ফলে যেখানে খুশি ঢুকে পড়তে পারে। পুলিশকে ভয় পান না। যদিও নিন্দুকদের অভিযোগ, বাজেয়াপ্ত গাঁজা বেঁচে দিয়েছেন পুলিশ কর্মীরা। সেই টাকা সরকারের ঘরে যায়নি। বরং পুলিশকর্মীদের পকেট গরম হয়েছে।