• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 23 August, 2026

আবাস প্রকল্পের আশ্বাসে কাটমানি, ঘরছাড়া করে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা

বিপত্তারণ গড়াই বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের জেমুয়া গ্রামের বাসিন্দা করুণাময় পালকে সরকারি আবাস পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রথমে ২০

আবাস প্রকল্পের আশ্বাসে কাটমানি, ঘরছাড়া করে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা

TMC Leader Arrested Photo-SNS

আবার সরকারি আবাস পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এমনকী মারধর থেকে শুরু করে ঘরছাড়া করার পরিস্থিতি তৈরি করে তোলাবাজির অভিযোগও উঠেছে। এইসব অভিযোগে বাঁকুড়ায় গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূলের শ্রমিক নেতা। বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের জেমুয়া গ্রামের বাসিন্দা করুণাময় পাল নামের এক বাসিন্দাকে সরকারি আবাস পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উপভোক্তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে প্রতিবাদ করলে মারধর করে ঘরছাড়া করা হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিনিময়ে ঘরে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর তার জেরে আইএনটিটিইউসি’র বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের সদ্য প্রাক্তন সভাপতি বিপত্তারণ গড়াইকে গ্রেপ্তার করে মেজিয়া থানার পুলিশ। ধৃতকে রবিবার বাঁকুড়া জেলা আদালতে পেশ করে পুলিশ।

বিপত্তারণ গড়াই বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের জেমুয়া গ্রামের বাসিন্দা করুণাময় পালকে সরকারি আবাস পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রথমে ২০ হাজার টাকা কাটমানি নেয় বলে অভিযোগ। কিন্তু টাকা দিয়েও কাজ না হওয়ায় প্রতিবাদ করলে তৃণমূল নেতা তাঁকে মারধর করে এবং ঘরছাড়া করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী পরে আরও ৫০ হাজার টাকা ‘জরিমানা’ নিয়ে বাড়িতে ফেরার অনুমতি দেন বলেও অভিযোগ। এবার থানায় সাহস করে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন করুণাময় পাল। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও বাঁকুড়া জেলা আদালত সূত্রে খবর,  এই ঘটনাটি ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ঘটেছিল। কিন্তু অভিযোগ জমা পড়েছে ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে। তার আগে তৃমমূল ক্ষমতায় ছিল বলেই সাহস করে তানায় আসতে পারেননি করুণাময় পাল। অভিযোগে করুণাময়বাবু জানিয়েছেন, তাঁকে সরকারি আবাস দেবে বলে টাকা নিয়েছিলেন আইএনটিটিইউসির মেজিয়া ব্লকের তৎকালীন সভাপতি বিপত্তারণ। এলাকায় তাঁর যথেষ্ট প্রভাব ছিল। তাই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তাছাড়া পরে করুণাময়বাবু জানতে পারেন গ্রামের আরও বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে একইভাবে তোলা আদায় করেছে বিপত্তারণ গড়াই। তখন ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিপত্তারণ গড়াইয়ের নেতৃত্বে তাঁকে মারধর করে ঘরছাড়া করা হয় বলে অভিযোগ। ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিলে তবে গ্রামে ফিরতে পারেন করুণাময় পাল। বিষয়টি নিয়ে মেজিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হতেই গ্রেপ্তার করা হয় বিপত্তারণকে। যদিও আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত তৃণমূল নেতা সাফাই দেন, ‘রাজনীতির জন্য আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে।’