একই নামে ভ্রান্তিবিলাসের আশঙ্কা রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে। রাজগঞ্জ আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাসফুল প্রতীকে লড়ছেন স্বপ্না বর্মন। অন্যদিকে আর এক স্বপ্না বর্মন লড়ছেন ফুলকপি চিহ্নে। দুই স্বপ্নায় গুলিয়ে যাচ্ছে ভোটারদের মাথা।এশিয়াডে সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মন এবার তৃণমূল প্রার্থী। আর এক স্বপ্না গৃহবধূ। তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজগঞ্জ আসনে। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে রাজগঞ্জে জনসভা করে গিয়েছেন খোদ তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জেতার বিষয়েও আশাবাদী স্বপ্না।
তবে, আর এক স্বপ্নার মনোনয়ন অ্যাথলিট স্বপ্নাকে কিছুটা বিড়ম্বনায় ফেলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও প্রকাশ্যে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর সাফ কথা, ‘মানুষ জোড়াফুল ও ফুলকপির পার্থক্য জানেন। আমাদের চেহারাও আলাদা। উনি আমার চেয়ে বয়সেও বড়। সাধারণ মানুষের বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।’ প্রায় একই কথা বলেছেন জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মহুয়া গোপ ও রাজগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়। তাঁদের দাবি, সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মনকে রাজগঞ্জের মানুষজন ভালো করেই চেনেন। তৃণমূলের প্রতীক জোড়া ঘাসফুল। কৃষিপ্রধান এই এলাকার মানুষ প্রতীক নিয়ে ভুল করবেন না।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বিজেপির বিক্ষুব্ধ অংশই নাকি গৃহবধূ স্বপ্না বর্মনকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। কারণ, রাজগঞ্জে বিজেপির বর্তমান প্রার্থী দীনেশ ওরফে হারাধন সরকারকে অনেকেই মেনে নিতে নারাজ। দলের বিক্ষুব্ধ অংশই স্বপ্না বর্মনকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। তবে রাজগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী দীনেশ সরকার দলে কোনও মতবিরোধের কথা মানতে নারাজ। উল্লেখ্য, নির্দল প্রার্থী স্বপ্না এলাকায় সমাজ কর্মী হিসেবে পরিচিত। এখনও সেভাবে প্রচার শুরু করেননি তিনি। অনেকেই মনে করছেন, দুই প্রার্থীর এক নাম নিয়ে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।
Advertisement
Advertisement



