আজ, শনিবার ২৫ বৈশাখ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক অভিনব সাংস্কৃতিক উদ্যোগের সাক্ষী হতে চলেছে দেশ। রবিবার একযোগে দেশের ১১টি শহরে আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ রবীন্দ্র–স্মরণ অনুষ্ঠান। এই বৃহৎ আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে সাংস্কৃতিক সংস্থা সংগীত ভারতী মুক্তধারা।
কলকাতা, দিল্লি, নভি মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, শিলচর, রৌরকেল্লা, জামশেদপুর, ভোপাল ও ভিলাই— এই ১১টি শহরে একই সময়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করবেন মোট ১১০০ শিল্পী। প্রতিটি শহরে অংশ নেবেন ১০০ জন করে গায়ক–গায়িকা। সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায় শুরু হবে এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান। কলকাতায় এর আসর বসছে নজরুল মঞ্চে ।
Advertisement
সমগ্র পরিকল্পনা ও সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন অরুন্ধতী দেব। তাঁর কথায়, এতগুলি শহরে একই সময়ে একই গান শুরু করে সমান ছন্দে শেষ করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। সেই কারণে প্রায় এক বছর ধরেই চলেছে মহড়া ও প্রস্তুতি। ২০২৪ সালেও একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তবে এবারের আয়োজন আরও বৃহৎ ও সুসংগঠিত।
Advertisement
এই অনুষ্ঠানের আর এক উল্লেখযোগ্য দিক প্রযুক্তির অভিনব ব্যবহার। যন্ত্রানুষঙ্গ রচনা ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সৌরভ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, প্রতিটি মঞ্চে থাকবে জায়ান্ট স্ক্রিন। স্ক্রিনকে ১০টি ভাগে ভাগ করে অন্য শহরের সরাসরি অনুষ্ঠানও একসঙ্গে দেখানো হবে। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা কার্যত এক মঞ্চেই যুক্ত থাকবেন।
উদ্যোক্তাদের দাবি, এই আয়োজন শুধু বাঙালিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বাংলা ভাষাভাষীদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের বহু অবাঙালি শিল্পীও রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছেন। সংস্কৃতি ও সঙ্গীতের মাধ্যমে জাতীয় সংহতির এমন প্রয়াস রবীন্দ্রজয়ন্তী উদ্যাপনে এনে দিচ্ছে এক নতুন মাত্রা।
Advertisement



