পঁচিশে বৈশাখে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতিথি ঘিরে উৎসবের আবহ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। বৈদিক মন্ত্রপাঠ, রবীন্দ্রসঙ্গীত ও উপাসনার মধ্য দিয়ে দিনভর নানা অনুষ্ঠানে সামিল হন অধ্যাপক, আধিকারিক, আশ্রমিক ও পড়ুয়ারা। ভোর থেকেই শুরু হয় বৈতালিক।
পরে রবীন্দ্রভবনে ‘কবিকণ্ঠ’ এবং মাধবীবিতানে জন্মোৎসবের অনুষ্ঠানে যোগ দেন উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ-সহ বিভিন্ন ভবনের অধ্যাপক ও আধিকারিকরা। উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ বলেছেন, ‘প্রথা মেনে দিনভর নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গুরুদেবের জন্মদিন পালন হচ্ছে। এই ঐতিহ্য আমাদের ধরে রাখতে হবে।’
Advertisement
উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশা থেকেই শান্তিনিকেতনে তাঁর জন্মদিন উদযাপনের প্রথা চালু। তবে বীরভূমের প্রখর গরম ও জলসংকটের কথা মাথায় রেখে ১৯৩৬ সালে কবিগুরু নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, পঁচিশে বৈশাখের বদলে বাংলা নববর্ষের দিন জন্মোৎসব পালন করা হবে। দীর্ঘদিন সেই রীতিই চলেছিল। গত এক দশক ধরে ফের পঁচিশে বৈশাখেই বিশ্বভারতীতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে।
Advertisement
এদিন শান্তিনিকেতনে উৎসবের আবহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা ও সাদা শাড়িতে বাঙালি সাজে ধরা দেন পড়ুয়া থেকে আশ্রমিকরা। গরম উপেক্ষা করেও অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল তুঙ্গে।
অন্যদিকে, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতেও পালিত হয় রবীন্দ্রনাথের জন্মতিথি। দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ সেখানে উপস্থিত হন কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে। রাজ্যপাল আর এন রবি কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। পাশাপাশি সদ্য শপথ নেওয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ব্রিগেডের অনুষ্ঠান শেষে জোড়াসাঁকোয় গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বাম নেতা বিমান বসুও এদিন কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে মালা দেন।
Advertisement



