• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 8 October, 2026

পুলিশ ইন্সপেক্টরের রহস্যমৃত্যু, বাড়ি থেকে উদ্ধার দেহ, জলপাইগুড়িতে আলোড়ন

তাছাড়া একমাস আগে সৌরভ চক্রবর্তী পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। চিকিৎসার পর সুস্থও হয়ে ওঠেন। এমনকী কাজেও যোগ দেন

পুলিশ ইন্সপেক্টরের রহস্যমৃত্যু, বাড়ি থেকে উদ্ধার দেহ, জলপাইগুড়িতে আলোড়ন

Police Inspector Mysterious Death Photo-Representative

পুলিশ ইন্সপেক্টরের রহস্যমৃত্যু নিয়ে বৃহস্পতিবার জোর চর্চা শুরু হয়ে গেল। নিজের বাড়ি থেকেই তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে কদিনের জন্য বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু এদিন সকালে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এটা কি আত্মহত্যা? নাকি শ্বাসরোধ করে খুন? প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ইন্সপেক্টরের রহস্যমৃত্যুতে জলপাইগুড়িতে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

জলপাইগুড়িতে এই পুলিশ ইন্সপেক্টরের রহস্যমৃত্যুর নেপথ্যে কোনও কাহিনী আছে বলে পুলিশ মনে করছে। দুর্গাপুজোর আগে ছুটিতে এসেছিলেন তিনি বাড়িতে। কর্মসূত্রে তিনি থাকতেন আলিপুরদুয়ারে। কেমন করে মৃত্যু হল? সেটাই এখন খুঁজে বের করতে চাইছে পুলিশ। আত্মহত্যা করে থাকলে কেন করল? এইসব প্রশ্নে উত্তর খুঁজছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। আর তা থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। পুলিশ ইন্সপেক্টরের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত পুলিশ ইন্সপেক্টরেরর নাম সৌরভ চক্রবর্তী (৪৮)। সৌরভ জলপাইগুড়ির বাসিন্দা। আলিপুরদুয়ারে তাঁর পোস্টিং ছিল। সেখানেই তিনি থাকতেন। স্ত্রী-সন্তান থাকতেন জলপাইগুড়িতে। দুর্গাপুজোর আগে বাড়িতে এসেছিলেন। এই ছুটিতে যে তিনি আসছেন সেটি ফোনে স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। তারপর বাড়িতে এসে স্বাভাবিক ছিলেন। কিন্তু এবার বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবার সূত্রে খবর, রাতে স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করেই ঘুমতে গিয়েছিলেন। রাতের অন্ধকারে এমন কেন ঘটল? সেটা বুঝতে পারা যাচ্ছে না। তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করাও যায়নি। স্বাভাবিক কাজও করেন। কিন্তু এখন তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

তাছাড়া একমাস আগে সৌরভ চক্রবর্তী পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। চিকিৎসার পর সুস্থও হয়ে ওঠেন। এমনকী কাজেও যোগ দেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর মানসিক অবসাদ তৈরি হয়েছিল। তাতে ভুগছিলেন তিনি। তার জেরেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এমনটা ঘটবে কেউ ভাবতে পারেননি বলে জানাচ্ছেন সহকর্মীরা থেকে পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনায় পরিবারের পাশাপাশি শোকের ছায়া নেমে এসেছে আলিপুরদুয়ার পুলিশমহলেও। তার মধ্যে কী চলছিল সেটা কখনও কাউকে জানাননি।