• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 19 August, 2026

বাংলাদেশে বন্দি ভারতীয় কৃষক, ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপ কেন্দ্রের, খুশি পরিবার

রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করার আগেই দীপঙ্করকে নিয়ে তৎপর হয়ে ওঠেন বিজেপি ও তৃণমূলের সাংসদ ও বিধায়ক। তারপরেই দীপঙ্করকে ছাড়িয়ে আনার কথা জানায় জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ।

বাংলাদেশে বন্দি ভারতীয় কৃষক, ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপ কেন্দ্রের, খুশি পরিবার

Photo: ANI

বাংলাদেশের জেলে থাকা ভারতীয় কৃষককে দেশে ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলাদেশের কার্যকলাপ সম্পর্কে কেন্দ্রকে অবহিত করেছিল রায়গঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক দীনেশ সরকার। তবে কেন্দ্র যে এই বিষয় দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে সেকথা জানালেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ জয়ন্তকুমার রায়। তিনি জানিয়েছেন, আইন অনুসারে বন্দি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীপঙ্কর গোপকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রের দ্রুত এই পদক্ষেপে খুশি দীপঙ্করের পরিবারের সদস্যরা।

দীপঙ্কর জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের কুকুরজান গ্রাম পঞ্চায়েতের তসরপাড়ার বাসিন্দা। তিনি গত ৮ আগস্ট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তাঁর চা বাগানে কীটনাশক স্প্রে করতে গিয়েছিলেন। চা-পাতায় ছড়িয়ে যাওয়া পোকা দমন করতে কীটনাশক স্প্রে করার জন্য কাছাকাছি ঝোরা থেকে জল আনতে গিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, তিনি ভারতীয় ভূখণ্ডে কাজ করছিলেন।

অভিযোগ, আচমকাই বাংলাদেশের কয়েকজন নাগরিক পিছন থেকে তাঁর মুখে গামছা বেঁধে অপহরণ করেন। সীমান্তের ওপারে তাঁকে নিয়ে চলে যায়। এরপর তাঁকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশে দীপঙ্কর অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন এই অভিযোগে তাঁকে পরে গ্রেপ্তারও করা হয়। তারপর থেকে এখনও দেশে ফেরেননি দীপঙ্কর। তাঁকে পণবন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এদিকে তসরপাড়ার বাসিন্দারা জানান, চলতি মাসের ৬ তারিখ বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার বাসিন্দা তজিমুদ্দিন ইসলাম নামে একজন নিজের হারানো গোরু খুঁজতে এ পারে চলে আসেন। তাঁকে ফিরে যেতে বলা হলেও তিনি কথা শোনেননি। এরপরে বিএসএফ জওয়ানরা তাঁকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

আরও পড়ুন: মেয়ো রোড কার দখলে? তৃণমূলের ‘দুই সভা’ নিয়ে হাইকোর্টে টানাপোড়েন

তজিমুদ্দিনকে ছাড়াতেই বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভারতীয় জমি থেকে দীপঙ্করকে অপহরণ করিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তারপরে দু’বার বিজিবি এবং বিএসএফের ফ্ল্যাগ মিটিং হলেও কোনও কাজ হয়নি। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করার আগেই দীপঙ্করকে নিয়ে তৎপর হয়ে ওঠেন বিজেপি ও তৃণমূলের সাংসদ ও বিধায়ক। তারপরেই দীপঙ্করকে ছাড়িয়ে আনার কথা জানায় জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ।