তৃণমূল আমলে চা বাগানে জমি কেলেঙ্কারি হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, বেআইনিভাবে জমি বিক্রির টাকা তৃণমূলের দলীয় তহবিলে গিয়েছে। ওই টাকা তৃণমূলের নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ তুলেছেন। এই ইস্যুতে চা বাগানের জমি হস্তান্তর নিয়ে তদন্ত চাইলেন শংকর ঘোষ।
সরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির তদন্তের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে কমিশন গঠন করেছেন। এই জমি কেলেঙ্কারির বিষয়ে খতিয়ে দেখার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখবেন বলেও জানিয়েছেন। সেই চিঠিতে কমিশনের মাধ্যমে জমি হস্তান্তর, লিজ ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখার বিষয় তুলে ধরা হবে।
রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্নীতির কারণেই তৎকালীন সরকারের জমানায় সরকারের চা বাগানের অব্যবহৃত জমির ৩০ শতাংশ পর্যটন ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের অনুমোদনে তারা তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। চা বাগানের জমি কীভাবে ও কার স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে তাও তদন্তের অধীনে আনার কথা তিনি জানিয়েছেন। তবে এর পাশাপাশি চা বাগানের জমিতে টি-ট্যুরিজমে আরও জোর দেওয়ার কথা তিনি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বন্দি ভারতীয় কৃষক, ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপ কেন্দ্রের, খুশি পরিবার
শংকর ঘোষ বলেন, ‘চা বাগানকে এলাকার শ্রমিক এবং বাসিন্দাদের পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। স্থানীয় মানুষ এবং চা শ্রমিকেরা যাতে পর্যটন থেকে সরাসরি লাভবান হন, সেই ব্যবস্থার উপরেও জোর দেওয়া হবে।’শুধু তাই নয়, পুরনো বাংলোগুলির পাশাপাশি চা বাগানের ভিতরে হোম-স্টে তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। এর পাশাপাশি বেশ কিছু চা বাগানের মালিক ও সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে পুরনো বাংলোগুলিতে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।




