• facebook
  • twitter
Saturday, 17 January, 2026

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজে স্থগিতাদেশ

বিজেপির পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানানো হলে স্পিকার জানান, মুকুল বিজেপিতেই রয়েছেন এবং তাঁর বিধায়কপদ খারিজ করা যাবে না।

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের আবেদনের ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি এই মামলায় বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অম্বিকা রায় এবং মুকুল রায়কেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে সকলকে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে।

শীর্ষ আদালতে মামলার শুনানিতে মুকুল রায়ের পুত্রের মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। আদালতে জানানো হয়, মুকুল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলেও উল্লেখ করা হয়। এই সমস্ত দিক বিবেচনা করেই আপাতত হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন মুকুল রায়। পরে তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেও বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরেও তিনি খাতায়-কলমে বিজেপি বিধায়ক হিসেবেই থেকে যান। এই নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানানো হলে স্পিকার জানান, মুকুল বিজেপিতেই রয়েছেন এবং তাঁর বিধায়কপদ খারিজ করা যাবে না। পরবর্তীতে তাঁকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যানও করা হয়, যা সাধারণত বিরোধী দলের কোনও বিধায়ককে দেওয়া হয়।

Advertisement

এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দলত্যাগ বিরোধী আইনে মামলা করেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের পদ খারিজের নির্দেশ দেন কলকাতাতে হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement