নির্বাচন কমিশন ভোটগণনা প্রক্রিয়ায় গোপনীয়তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। বিশেষ করে জানানো হয়েছে, ভোটগণনার সঙ্গে যুক্ত কোনও কর্মীর মোবাইল নম্বর কোনোভাবেই প্রকাশ করা যাবে না। এই নির্দেশ অমান্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনাকক্ষে শুধুমাত্র পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। অন্য কেউ সেখানে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। তবুও কমিশন বাড়তি সতর্কতা হিসেবে নিশ্চিত করতে চাইছে, গণনায় উপস্থিত কোনও কর্মীর ব্যক্তিগত তথ্য, বিশেষত মোবাইল নম্বর, বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে।
Advertisement
ভোটের ফলাফল লিপিবদ্ধ করা হবে ফর্ম-১৭সি-টু-তে, যা প্রস্তুত করবেন কাউন্টিং সুপারভাইজার। প্রতিটি টেবিলে উপস্থিত কাউন্টিং এজেন্টরা সেই নথিতে সই করবেন। পাশাপাশি, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি টেবিলের মাইক্রো অবজার্ভারদের আলাদাভাবে ফলাফল নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে একজন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে, মোট সংখ্যা ৭৭। তাঁদের দায়িত্ব থাকবে গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। তবে কমিশন স্পষ্ট করেছে, কোনও অবস্থাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকরা গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি আসনে (ফলতা বাদে) ভোটগণনা অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন গণনা পর্যবেক্ষকদেরও নিয়োগ করেছে, যাঁরা গণনার কাজে সহায়তা করবেন এবং পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।
Advertisement



