• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 28 June, 2026

কন্টেনার ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে ছাড় দিল রাজ্য সরকার, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে দেশে জ্বালানির জোগান নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেটা এবার শিথিল করা হলো

কন্টেনার ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে ছাড় দিল রাজ্য সরকার, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কন্টেনারে এবার ভরা যাবে জ্বালানি। তবে সেটা অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রে করা যাবে। এবার থেকে কন্টেনারে তেল ভরতে পারবেন কৃষক-চা শ্রমিকরা। সাধারণ মানুষের স্বার্থে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। এই বিষয়ে রবিবার সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যজুড়ে কন্টেনারে ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে জারি হয়েছিল কড়া বিধিনিষেধ। তার জেরে সমস্যায় পড়েছিলেন কৃষক থেকে শুরু করে বিভিন্ন হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। ওই দুর্ভোগ মেটাতে বড় পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জরুরি পরিষেবা এবং কৃষিকাজ সচল রাখতে জ্বালানির বিধিনিষেধে ছাড়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে রাজ্যের সর্বত্র এভাবে জ্বালানি না পাওয়ার জন্য পাউরুটির দাম বেড়ে গিয়েছে। এবার বেকারি সংগঠনের পক্ষে উৎপাদনে আর বাধা রইল না। বেকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখা হয়েছিল। আর তারপরই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ডিজেল সরবরাহে কেন্দ্রীয় সরকার যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল সেটা কিছুটা শিথিল করা হলো পশ্চিমবঙ্গে। জনগণের সুবিধার্থে কন্টেনারে ডিজেল সরবরাহের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা জানিয়ে তেল সংস্থাগুলিকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে দেশে জ্বালানির জোগান নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেটা এবার শিথিল করা হলো। এই বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমাদের সরকার সাধারণ জনগণের দৈনন্দিন জীবন, জরুরি পরিষেবা এবং রাজ্যের অর্থনীতি কোনও বাধা ছাড়াই যেন সুচারুভাবে এগোতে থাকে তা নিশ্চিত করতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। সাম্প্রতিক কন্টেনারে (পাত্রে) ডিজেল সরবরাহ করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, যার ফলে আমাদের পরিশ্রমী কৃষক ভাইরা, বিভিন্ন হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা কার্যক্ষেত্রে চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল। জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করেছে।’

তাছাড়া স্বাস্থ্য ও জরুরি পরিষেবা, খাদ্য সরবরাহ ও কৃষি, পরিষেবা ও সরকারি ক্ষেত্র এবং রাজ্যের কৃষি-অর্থনীতির ক্ষেত্রে শিথিল করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য, কৃষি, খাদ্য সরবরাহ, জনপরিষেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চা-বাগানে কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা প্রযুক্ত হবে না। এই ক্ষেত্রগুলিকে জনস্বার্থে ছাড় দিতে হবে বলে তেল সংস্থাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘এই সমস্ত জরুরি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, সংস্থা ও গ্রাহকরা এখন থেকে কন্টেইনার বা ব্যারেলে সহজেই ডিজেল কিনে নিয়ে যেতে পারবেন এবং প্রত্যেকদিন এই সকল গ্রাহকদের জ্বালানি প্রদানের ক্ষেত্রে যে সর্বাধিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল তাও শিথিল করা হয়েছে। নির্ঝঞ্ঝাট ভাবে ডিজেল পাওয়ার জন্য পাম্পগুলোতে শুধুমাত্র প্রাথমিক পরিচয়ের নথিপত্র দেখালেই চলবে।’