• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 17 August, 2026

নীতিনের টিমে নবীনদের সমাহার, স্মৃতি-বসুন্ধরার কামব্যাক, বঙ্গের কারা জায়গা পেলেন?

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে থেকে ক্যানসার চিকিৎসক মধুছন্দা করকে রাখা হয়েছে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতিদের তালিকায়

নীতিনের টিমে নবীনদের সমাহার, স্মৃতি-বসুন্ধরার কামব্যাক, বঙ্গের কারা জায়গা পেলেন?

Smriti Irani- Vasundhara Raje Photo-SNS

যে প্রত্যাশা করা হয়েছিল সেটাই যেন দেখা দিল। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের নয়া টিমে জায়গা পেল নবীনরা। সোমবার নবীনের নেতৃত্বে বিজেপির নতুন পদাধিকারীদের নামের তালিকা প্রকাশ হয়েছে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, স্মৃতি ইরানি-সহ নবীন মুখরা। যাঁরা সাম্প্রতিক অতীতে খানিকটা হারিয়ে গিয়েছিলেন তাঁদের সংগঠনে জায়গা দেওয়া হলো। নীতীনের ‘টিমে’ পশ্চিমবঙ্গ থেকে জায়গা করে নিলেন মনোজ টিগ্গা এবং মধুছন্দা কর। সর্বভারতীয় পদাধিকারীদের তালিকায় প্রবীণ এবং নবীনের ভারসাম্যও রাখা হয়েছে। তবে গুরুত্ব বেড়েছে নতুন প্রজন্মের নেতাদের। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে রেখে দেওয়া হয়েছে কর্নাটকের নেতা বিএল সন্তোষকে।

এদিকে এই নয়া তালিকায় বড় চমক বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া। রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদ দিয়েছে বিজেপি। রাজস্থানে ভজনলাল শর্মাকে মুখ্যমন্ত্রী করার পরই বিজেপির সঙ্গে বসুন্ধরার দূরত্ব বেড়েছিল বলে শোনা যায়। কিন্তু তাঁকে আবারও ফিরিয়ে আনা হলো দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমেথিতে কিশোরী লাল শর্মার কাছে পরাজয়ের পর রাজনীতি থেকে দূরে চলে গিয়েছিলেন স্মৃতি ইরানি। তিনি এবার নীতিনের টিমে সাধারণ সম্পাদকের পদ পেয়েছেন। আটজন সাধারণ সম্পাদকের তালিকায় আছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা বিনোদ তাওড়ে, সতীশ পুনিয়া, গজেন্দ্র প্যাটেল, হরিশ দ্বিবেদী এবং সঞ্জয় ভাটিয়া। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) হয়েছেন দু’জন— প্রাক্তন আরএসএস নেতা শিবপ্রকাশ এবং সৌদান সিং।

 

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে থেকে ক্যানসার চিকিৎসক মধুছন্দা করকে রাখা হয়েছে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতিদের তালিকায়। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা সাধারণ সম্পাদকের পদ পেয়েছেন। আইটি সেলের প্রধান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অমিত মালব্যকে। তাঁর বদলে দায়িত্ব পেয়েছেন ছত্তিশগড়ের দীপক মাস্কে। প্রায় ১০ বছর ধরে বিজেপির আইটি সেল সামলেছেন অমিত মালব্য। পশ্চিমবঙ্গের কো-ইনচার্জ হিসাবেও কাজ করেছেন। এবার গোটা মিডিয়া টিম ঢেলে সাজিয়েছেন নীতিন নবীন। আরএসএস থেকে বিজেপিতে এসে সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন রাম মাধব। পরে আবার সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন তিনি। নতুন কমিটিতে তাঁকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে। বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া ছাড়া সহ-সভাপতি হয়েছেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তীর্থ সিং রাওয়ত, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভারতী পাওয়ার, ওড়িশার নেতা বৈজয়ন্ত পণ্ডা, পঞ্জাবের দলত্যাগী কংগ্রেস নেতা মনপ্রীত সিং বাদল এবং সংখ্যালঘু নেতা তারিক মনসুর।

 

তাছাড়া ১৬ জন সর্বভারতীয় সম্পাদকের মধ্যে আছেন সন্দীপ পাঠক, কেরলের কংগ্রেস নেতা একে অ্যান্টনির পুত্র অনিল অ্যান্টনি, রোহন গুপ্ত এবং পশ্চিমবঙ্গের নেতা মনোজ টিগ্গা। আর যুবমোর্চার সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে লোকসভার সাংসদ তেজস্বী সূর্যকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল হয়েছেন নতুন কোষাধ্যক্ষ।