• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 21 July, 2026

ভবানীপুরে বেআইনি পার্টি অফিস করছেন শুভেন্দু, নির্বাচন কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

বিজেপির তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েই এই ধরনের অভিযোগ তুলছে।

ভবানীপুরে বেআইনি পার্টি অফিস করছেন শুভেন্দু, নির্বাচন কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই ঘিরে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। ফলে বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। এরই মধ্যে বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এই ঘটনায় সরাসরি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বিতর্কিত জমিতে দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করা হচ্ছে। তৃণমূলের দাবি, ২৩বি অরফ্যানগঞ্জ রোডের ওই জমি নিয়ে ইতিমধ্যেই মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তবুও সেখানে বিশাল বাঁশের কাঠামো তৈরি করে নির্বাচনী কার্যালয় বানানোর চেষ্টা চলছে। এমনকি পুর আইনের অধীনে কাজ বন্ধের নির্দেশ জারি হলেও তা অমান্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই নির্মাণ কাজের পিছনে সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। স্থানীয় পুলিশ বাধা দিতে গেলে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি অশান্তির দিকে এগোয়। শাসকদলের অভিযোগ, এই ধরনের পদক্ষেপ নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে এবং এলাকায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়। কিন্তু বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা তৈরি করতে চাইছে। তাই দ্রুত পদক্ষেপ করে এই নির্মাণ বন্ধ করা এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে কমিশনের কাছে।

এদিকে বিজেপির তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েই এই ধরনের অভিযোগ তুলছে।

প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগেই ওই এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা বাধে। সেই ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি সংবেদনশীল হয়ে রয়েছে। ভোটের মুখে ভবানীপুরে এই বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াল বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এখন কমিশনের পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।